একটি বিদ্যালয় শুধু পাঠদানের প্রতিষ্ঠান নয়, একটি জনপদের স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও সামাজিক অগ্রগতির বাতিঘর। লালমনিরহাট জেলার কুমড়ীরহাট এসসি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আমার কাছে কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম নয়; এটি শৈশব, স্মৃতি, আবেগ, আত্মপরিচয় এবং অসংখ্য মানুষের স্বপ্ন নির্মাণের এক অনন্য ঠিকানা। ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয় দীর্ঘ সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে কুমড়ীরহাটসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। একসময় প্রতিষ্ঠানটি লালমনিরহাট জেলার অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। বোর্ড পরীক্ষায় মেধাতালিকায় স্থান অর্জন, ঈর্ষণীয় ফলাফল এবং দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির সাফল্য ছিল এই বিদ্যালয়ের গৌরবের অংশ।
এই বিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন। কেউ বুয়েটের শিক্ষক, কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক, কেউ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, প্রশাসক কিংবা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রেও এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা ও মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তাঁদের প্রত্যেকের সাফল্যের পেছনে কোনো না কোনোভাবে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবদান এবং প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ জড়িয়ে রয়েছে।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, যে প্রতিষ্ঠান একসময় সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল, সেই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান শিক্ষার মান, পরীক্ষার ফলাফল এবং সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ নিয়ে আজ প্রশ্ন উঠছে। একসময় যে বিদ্যালয়ের ফলাফল ছিল এলাকার মানুষের গর্ব, আজ সেই ফলাফলের নিম্নমুখী প্রবণতা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরোনো ঐতিহ্য ও সুনামের সঙ্গে বর্তমান বাস্তবতার যেন এক বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে।
ঐতিহ্যের অবক্ষয়ের পেছনে কী?
কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবনতি এক দিনে ঘটে না। এর পেছনে থাকে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, নেতৃত্বের দুর্বলতা, জবাবদিহির অভাব এবং শিক্ষার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুতি।
কুমড়ীরহাট এসসিবিএলের বর্তমান সংকটের পেছনেও কয়েকটি বিষয় গভীরভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় অযাচিত রাজনৈতিক প্রভাব, শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধার পরিবর্তে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন ছাড়াই ম্যানেজিং কমিটি গঠন এবং বিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার অনুপস্থিতি প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
বিশেষ করে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি হওয়া উচিত শিক্ষাবান্ধব, যোগ্য, দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী ব্যক্তিদের সমন্বয়ে। কেবল স্থানীয় প্রভাব, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালনা কমিটি গঠিত হলে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের অনিয়ম বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মনে রাখতে হবে, একটি বিদ্যালয়ের প্রধান সম্পদ তার ভবন বা অবকাঠামো নয়; তার প্রধান সম্পদ যোগ্য শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের মেধা, শিক্ষার পরিবেশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাই হতে পারেন পরিবর্তনের শক্তি
কুমড়ীরহাট এসসিবিএলের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর বিশাল প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিবার। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বুয়েটের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিচারক, আইনজীবী, উদ্যোক্তা, গবেষক ও প্রবাসী পেশাজীবীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত অসংখ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী রয়েছেন এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
এই মানুষগুলো শুধু বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী নন; তাঁরা এই জনপদের সম্পদ। তাঁদের অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা, আর্থিক সক্ষমতা এবং সামাজিক যোগাযোগ বিদ্যালয়টির পুনর্জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সময় এসেছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিচ্ছিন্ন যোগাযোগকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও কার্যকর প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার। এ লক্ষ্যে কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে।
প্রথমত, একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন: ১৯৪৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি নিবন্ধিত ও প্রতিনিধিত্বশীল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন করা প্রয়োজন। এতে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অ্যাসোসিয়েশনটি হবে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, স্বচ্ছ ও বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে নিবেদিত।
দ্বিতীয়ত, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ: প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, তাঁদের সম্পৃক্ত করে একটি একাডেমিক পরামর্শক প্যানেল গঠন করা যেতে পারে। নিয়মিত শিক্ষার মান পর্যালোচনা, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক সহায়তা, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতিতে সহযোগিতা করা যেতে পারে।
তৃতীয়ত, মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি: প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনুদান, স্থানীয় দানশীল ব্যক্তি এবং প্রবাসীদের সহযোগিতায় একটি স্থায়ী শিক্ষা সহায়তা তহবিল গঠন করা যেতে পারে। এই তহবিল থেকে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ, পরীক্ষার ফি এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া সম্ভব।
চতুর্থত, শিক্ষক উন্নয়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা: শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি, পাঠদান পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল মূল্যায়নের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও মেধার সর্বোচ্চ গুরুত্ব নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যালয়ের প্রতিটি একাডেমিক কার্যক্রমের জন্য পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
পঞ্চমত, ডিজিটাল ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি: বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক বিজ্ঞানাগার, কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেটভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
ষষ্ঠত, স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা: বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়, উন্নয়ন কার্যক্রম, শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষার্থীদের ফলাফল এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। পরিচালনা কমিটিতে শিক্ষাবিদ, অভিজ্ঞ প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের যোগ্য প্রতিনিধিত্ব থাকা প্রয়োজন। পরিচালনা কমিটি যেন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং বিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে এলাকার উন্নয়ন
একটি ভালো বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার্থী তৈরি করে না; এটি একটি এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনেরও চালিকাশক্তি। কুমড়ীরহাট এসসিবিএলকে কেন্দ্র করে একটি বৃহত্তর শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে।
বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞানচর্চা, বিতর্ক, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশের কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, সরকারি চাকরি, বিসিএস, উচ্চশিক্ষা এবং বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার বিষয়ে নিয়মিত সেমিনার ও পরামর্শ কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব।
এ ছাড়া স্থানীয় তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং নারীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিদ্যালয়কেন্দ্রিক সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এভাবে বিদ্যালয়টি আবারও পুরো এলাকার জ্ঞানচর্চা ও সামাজিক অগ্রগতির কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।
এখনই প্রয়োজন সম্মিলিত জাগরণ
আমাদের মনে রাখতে হবে, অতীতের গৌরব দিয়ে বর্তমানের ব্যর্থতা ঢেকে রাখা যায় না। আবার বর্তমানের অবস্থা দেখে একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানকে পরিত্যক্ত ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়াও দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়।
১৯৪৯ সালে যে প্রতিষ্ঠানটি একটি স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, সেই স্বপ্নকে নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার। এ দায়িত্ব শুধু বর্তমান শিক্ষক, অভিভাবক কিংবা পরিচালনা কমিটির নয়। এ দায়িত্ব বিদ্যালয়ের প্রতিটি প্রাক্তন শিক্ষার্থীর, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির, সমাজের সচেতন মানুষের এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের।
এ জন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে একটি জাতীয় পর্যায়ের পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা আয়োজন করা যেতে পারে। সেখানে বিদ্যালয়ের বর্তমান সংকট চিহ্নিত করে একটি পাঁচ বছর মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর সমন্বয় কাঠামো গঠন করা যেতে পারে।
আমরা চাই না, কুমড়ীরহাট এসসি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এর পরিচয় শুধু পুরোনো বোর্ড স্ট্যান্ড, অতীতের মেধাবী শিক্ষার্থী কিংবা স্মৃতিময় দিনগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকুক। আমরা চাই, আগামী দিনে এই বিদ্যালয় থেকে আবারও শিক্ষার্থীরা বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হোক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখুক। নতুন প্রজন্মের কাছে বিদ্যালয়টি আবারও হয়ে উঠুক গর্ব ও অনুপ্রেরণার উৎস।
যাঁরা একসময় এই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বসে জীবনের প্রথম স্বপ্ন দেখতে শিখেছেন, তাঁদের কাছে আজ একটি আহ্বান—নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিদ্যালয়ের পাশে দাঁড়ান। অর্থ দিয়ে, মেধা দিয়ে, অভিজ্ঞতা দিয়ে কিংবা সময় দিয়ে সহযোগিতা করুন।
কুমড়ীরহাট এসসি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি বিদ্যালয় নয়; এটি আমাদের শেকড়, আমাদের পরিচয় এবং একটি জনপদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের নাম। এই প্রতিষ্ঠানের আলো নিভে যেতে দেওয়া যায় না। আসুন, ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই মিলে আবারও জ্বালিয়ে তুলি আমাদের প্রিয় বিদ্যালয়ের আলোকবর্তিকা।
ঐতিহ্য ফিরুক, শিক্ষার মান বাড়ুক, জেগে উঠুক কুমড়ীরহাট এসসি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়।
লেখক : সিনিয়র সহকারী পরিচালক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।