সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
☰ সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল লালমনিরহাট মতামত অন্যান্য

দিল্লিতে দ্বিতীয় দিনেও ধরপাকড়, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সিজেপির


প্রকাশ : (৩ ঘন্টা আগে)
দিল্লিতে দ্বিতীয় দিনেও ধরপাকড়, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা সিজেপির

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এদিকে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে দ্বিতীয় দিনেও ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ। রামকৃষ্ণ আশ্রম এলাকা থেকে আবারও আটক করা হয়েছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরাকে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে শনিবার বিক্ষোভ চলাকালে নেহা বোরাকে আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যেও সিইসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। রোববারও বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সদস্যদের টেনেহিঁচড়ে বাসে তোলেন নিরাপত্তাকর্মীরা। আটক ব্যক্তিদের অনেকের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

এক আন্দোলনকারী বলেন, বিক্ষোভকারীদের আটক এবং গণতন্ত্রের ওপর আঘাতের প্রতিবাদে তাঁরা রাজপথে থাকবেন। সিইসির পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশনের সংস্কার ও গণতন্ত্র রক্ষার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।

সিজেপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও স্টেশন এলাকায় বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়।

এদিকে, মেট্রো স্টেশনে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি বড় জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

আটকের একদিন পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি পেয়েছেন সিজেপির নেতা অভিজিৎ দিপকেসহ তিনজন। এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্তে মুক্তি পান দিপকে। মুক্তির পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভীতু বলে আখ্যা দেন তিনি।

পুলিশের কাছ থেকে মুক্তি পেয়ে সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, গত ৭২ ঘণ্টায় ভারতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা তাঁর মতে ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার সময়কেও ছাড়িয়ে গেছে। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের লড়াই সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে হলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিষয়টিকে নিজের বিরুদ্ধে নিয়ে তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করছেন।

এর আগে মুক্তি পান জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। তাঁর দাবি, তাঁকে আটক করা হয়নি, বরং অপহরণ করা হয়েছিল।

সূত্র: রয়টার্স

বিজ্ঞাপন