বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ আন্তর্জাতিক

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৫


প্রকাশ :

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা থামছে না। সর্বশেষ বিমান হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে দুই শিশুসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপি’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। হামলায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।

যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলমান থাকলেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu লেবাননে স্থল অভিযান জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষও তীব্র হয়েছে। পাল্টা হামলায় কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতে ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এতে করে লেবাননে মানবিক সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

এরই মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় United States ও Iran দুই সপ্তাহের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও, সেই চুক্তিতে লেবানন প্রসঙ্গ থাকলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।

লেবাননের রাজধানী Beirut-সহ বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক হামলা চালানো হচ্ছে। এতে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ওয়াশিংটনে লেবাননের সঙ্গে আলোচনায় বসে ইসরায়েল। তবে সেখানে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করে দেয় ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল। যদিও পরিস্থিতি শান্ত করতে সরাসরি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

এর আগে দক্ষিণ লেবাননের সিডন জেলার আনসারিয়াহ এলাকায় চালানো আরেকটি বিমান হামলায় শিশুসহ একাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।

এদিকে ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে হিজবুল্লাহও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে কিরিয়াত এলাকায় রকেট হামলা এবং জাবেইল অঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক যান লক্ষ্য করে আক্রমণের দাবি করেছে সংগঠনটি।

বিশ্লেষকদের মতে, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ এবং উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শক্ত অবস্থান দেখাচ্ছে ইসরায়েল। ফলে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।