মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে গেলে তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে জি-৭ভুক্ত দেশগুলো। এ ক্ষেত্রে তারা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (IEA) সঙ্গে সমন্বয় করে পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে জি-৭ দেশগুলোর জ্বালানি মন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে উত্থাপিত সুপারিশগুলো সদস্য দেশগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন হলে সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সমর্থন রয়েছে তাদের। প্রয়োজনে কৌশলগত তেল রিজার্ভ ব্যবহারের কথাও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
জি-৭ মন্ত্রীরা জানান, সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তারা নিজেদের মধ্যে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রাখবেন।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সদস্য দেশগুলোর কাছে সরকারি জরুরি মজুদ হিসেবে প্রায় ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ব্যারেল তেল রয়েছে। পাশাপাশি সরকারি নির্দেশনার আওতায় শিল্প খাতেও প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালের বৈশ্বিক তেল সংকটের পর বড় ধরনের জ্বালানি সরবরাহ ব্যাঘাতের সময় সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে প্যারিসভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা গঠন করা হয়।
সূত্র: আল-জাজিরা