শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ আন্তর্জাতিক

থাইল্যান্ডের নির্বাচনে এগিয়ে আনুতিনের জোট, সরকার গঠন নির্ভর করছে সমঝোতায়


প্রকাশ :

থাইল্যান্ডের জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের নেতৃত্বাধীন ভূমিজাই থাই পার্টির জোট। তবে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন সরকার গঠন পুরোপুরি নির্ভর করছে রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে থাইল্যান্ডের নির্বাচন কমিশন।

৪৯২ আসনের পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ২৪৬টি আসন। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আনুতিনের ভূমিজাই থাই পার্টি পেয়েছে ১৯৬টি আসন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জোট পেয়েছে ১১৬টি আসন, আর বাকি ১৮০টি আসন ভাগাভাগি হয়েছে রক্ষণশীল পিউ থাই পার্টি ও অন্যান্য দলের মধ্যে।

এর মানে পরিষ্কার: এককভাবে সরকার গড়ার মতো শক্তি কারও নেই। তাই ক্ষমতায় যেতে হলে জোট গঠনই একমাত্র পথ। যেহেতু ভূমিজাই থাই পার্টি সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে, সম্ভাব্য জোট সরকার হলে নিয়ম অনুযায়ী আনুতিনই প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার সুযোগ পাবেন।

৫৮ বছর বয়সী আনুতিন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হন ২০২৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর, যখন সাংবিধানিক আদালত নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে অপসারণ করে।

পায়েতংতার্ন ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার মেয়ে এবং পিউ থাই পার্টির প্রধান নেতা। ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন, কিন্তু এক বছরের মধ্যেই ক্ষমতা হারান।

এ নির্বাচন হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন থাইল্যান্ডের রাজনীতি চরম অস্থির। গত দুই বছরে তিনজন প্রধানমন্ত্রী বদল হয়েছে, আর গত ডিসেম্বরে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনাও দেখা গেছে।

এখন দেখার বিষয়, কোন কোন দল আনুতিনের সঙ্গে জোটে যাবে—সেখানেই নির্ধারিত হবে থাইল্যান্ডের আগামী সরকারের রূপরেখা।