ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। খারকিভ আঞ্চলিক গভর্নর ওলেহ সিনিয়েহুবভ জানিয়েছেন, শহরটি সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। হামলার সময় শিশুদের জন্য নির্ধারিত একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় এবং সেখানে আগুন লেগেছে।
স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র মস্কোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ উত্তেজনা বাড়ানোর অভিযোগ তুলেছিল। ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইউক্রেনেগো’ জানায়, হামলায় শহরের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কিয়েভে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানিয়েছেন, শহরটি স্বল্প সময়ে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্র হামলার মুখে পড়েছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষক চ্যানেলগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এক ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করতে চেষ্টা করলেও হতাহতের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রদূত ট্যামি ব্রুস বলেন, রাশিয়ার উত্তেজনা যুদ্ধকে আরও ভয়াবহ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পারমাণবিক সক্ষম ‘ওরেশনিক’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেনের লভিভে অবস্থিত একটি বিমান মেরামত কারখানায় তারা ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, তবে ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্র এই দাবি অস্বীকার করেছে। হামলার আগে ইউক্রেন ও পশ্চিমা মিত্ররা যুদ্ধবিরতি ও নিরাপত্তা চুক্তির পথে এগোবার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু রাশিয়া এ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এভাবে নিউজটি মূল তথ্য বজায় রেখে পুনর্লিখন করা হয়েছে, যাতে হেডলাইন ও বিবরণ উভয়ই নতুন রূপ পায় এবং কপিরাইট সমস্যা তৈরি না হয়।