কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের কুরবানি গরু ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে রাজারহাট উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে
এক হাজার একশত নব্বইটি উপকারভোগী পরিবারে ২ হাজার ৩শত ৮০কেজি গরুর মাংস বিতরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে,কুরবানির প্রতিটি গরুর মুল্য ধরা হয়েছে উনসত্তর(৬৯) হাজার টাকা,৩৪টি গরু ক্রয় করা হয়েছে ২৩ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকায়।
স্থানীয় গরুর ব্যাপারী ও মাংস বিক্রেতারা জানান উনসত্তর হাজার টাকার গরুতে কমপক্ষে মাংস হবে আশিঁ থেকে পঁচাশি কেজি, ৩৪টি গরুতে কমপক্ষে মাংস হবে ২,হাজার ৯শত কেজি মাংস হবে।অথচ বিতরণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩শত ৮০কেজি মাংস।এতে করে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কুরবানির গরুর বাকি মাংস গেলো কোথায়?।
ঈদেরদিন নাজিমখান ইউনিয়ন পরিষদ, উমরমজিদ ইউনিয়ন পরিষদ ও ঈদের পরদিন চাকিরপশার ইউনিয়ন পরিষদে তালিকাভুক্ত নির্দিষ্ট উপকারভোগীদের মাঝে গরুর মাংস বিতরণ করা হয়েছে।
উমরমজিদ ইউনিয়নে দায়িত্বে থাকা আনারুল ইসলাম বলেন উমরমজিদ ইউনিয়নে সুবিধাভোগী ৩শত দশজন,তাদের গরু কুরবানি করা হয়েছে এগারোটা।গরু প্রতি বরাদ্দ কত জানতে তিনি মুঠোফোনে আমি এ তথ্য দিতে পারবোনা বলেই কলটি কেটে দেন।
উমরমজিদ ইউনিয়নের বাসিন্দা শাহিন আলম বলেন আমরা ঈদের দিন পরিষদে গরু দেখতে যাই,অত্যান্ত ছোট গরু পাশাপাশি কুরবানি করার বয়স হয়নি।
নাজিমখান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ফজলু মিয়া বলেন তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে আমাদেরকে অবগত করেনি,হয়ত চেয়ারম্যানকে বলছেন।তবে ভালো মানের গরু কুরবানি করা হয়নি।
চাকিরপশার ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আলম বলেন আগে বলতেন। এখন কোন কিছু বলেনি।জানতে পেরেছি সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়ীতে গরু রাখা হয়েছিল, ওখান থেকে নিয়ে এসে জবাই করে মাংস বিতরণ করা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ রাজারহাট উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলামকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।