বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মহারণ ঘিরে যেমন উত্তেজনা তুঙ্গে, তেমনি আলোচনায় রয়েছে ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিং প্যানেলও। হাই-ভোল্টেজ এই ম্যাচে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাতটি দেশের ১০ সদস্যের বহুজাতিক অফিশিয়েটিং দল গঠন করেছে ফিফা।
ফাইনালের প্রধান রেফারির দায়িত্ব পেয়েছেন স্লোভেনিয়ার অভিজ্ঞ ম্যাচ কর্মকর্তা স্লাভকো ভিনচিচ। তার সঙ্গে সহকারী রেফারি হিসেবে থাকবেন একই দেশের টোমাজ ক্লানচনিক ও আন্দ্রাজ কোভাচিচ।
চতুর্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জর্ডানের আধহাম মাখাদমেহ, আর পঞ্চম কর্মকর্তা থাকবেন তারই স্বদেশি মোহাম্মদ আলকালাফ।
ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) কক্ষের প্রধান হিসেবে থাকছেন জার্মানির বাস্টিয়ান ড্যাঙ্কার্ট। তাকে সহায়তা করবেন কলম্বিয়ার নিকোলাস গায়ো। বিকল্প ভিএআর হিসেবে থাকবেন কাতারের খামিস আল মারি, আর সহকারী বিকল্প ভিএআরের দায়িত্বে থাকবেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান ও মেক্সিকোর গিয়ের্মো পাচেকো।
রেফারিং প্যানেলে সাত দেশের প্রতিনিধিত্ব থাকায় ম্যাচের নিরপেক্ষতা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে প্রধান রেফারি ভিনচিচের সাম্প্রতিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে তাকে নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
চলতি মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার কয়েকটি ম্যাচে তার সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হলেও ফিফা তার অভিজ্ঞতার ওপর আস্থা রেখেই বিশ্বকাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।
এদিকে, নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান এই রেফারিং প্যানেলের একমাত্র নারী কর্মকর্তা। বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো মর্যাদাপূর্ণ ম্যাচে তার অন্তর্ভুক্তি নারী রেফারিদের অংশগ্রহণের দিক থেকেও একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে তাই মেসি-ইয়ামালের লড়াইয়ের পাশাপাশি সাত দেশের এই বহুজাতিক রেফারিং দলের প্রতিটি সিদ্ধান্তও থাকবে কোটি ফুটবলপ্রেমীর নিবিড় পর্যবেক্ষণে।