পর্যটন খাতের সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, আগের মতো সহজে ট্রাভেল পাস পাওয়া যাচ্ছে না। থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ার মতো জনপ্রিয় গন্তব্যেও শর্ত বাড়ানোয় ভ্রমণপ্রেমীরা বিপাকে পড়েছেন।
এক ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তা জানান, ভালো প্রোফাইল থাকা সত্ত্বেও এখন অনেক আবেদন বাতিল হচ্ছে বা অনিশ্চয়তায় ফেলা হচ্ছে। এতে পর্যটন ব্যবসায় বড় ধরণের প্রভাব পড়ছে।
এয়ার বি হলিডেজের প্রধান নির্বাহী শামস উদ্দিন সোহাগ বলেন, “ভিসাই যদি না হয়, তাহলে ভ্রমণ পরিকল্পনা এগোয় না। এতে পুরো খাতেই স্থবিরতা নেমে এসেছে।”
অন্যদিকে বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়। শ্রমবাজার সীমিত হয়ে পড়ায় সৌদি আরবই এখন মূল গন্তব্য। নতুন বাজার না খোলায় শ্রম রপ্তানিকারকরা সরকারের উদ্যোগের ঘাটতির কথা বলছেন।
রাবিড সভাপতি আরিফুর রহমানের মতে, “দিল্লিনির্ভর দূতাবাস ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে বাংলাদেশে সরাসরি এম্বাসি ও লেবার কনসুলেট চালু করা জরুরি। তাতে ইউরোপসহ অন্যান্য বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে।”
অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির মনে করেন, বিদেশে অবৈধ অবস্থান ও অপরাধে জড়ানোর কারণে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের প্রতি অনেক দেশের আস্থা কমেছে। তার ভাষায়, “বিদেশে আইনের প্রয়োগ হচ্ছে বলেই তারা ফেরত পাঠাচ্ছে। আমাদের দেশেও একই নীতি কার্যকর না হলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে না।”
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত ২০২৫ সালের গ্লোবাল পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬ দেশের মধ্যে ১০০তম। অর্থাৎ, বিশ্বের সপ্তম দুর্বলতম পাসপোর্ট এখন বাংলাদেশের।