রংপুর নগরীর নজিরেরহাট বাজারে অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি কমপক্ষে ৩০ লাখ টাকার হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।
বুধবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের নজিরেরহাট বাজারে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকান্ডের ঘটনা নিশ্চিত করে নজিরেরহাট ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন ফিরোজ বলেন, রাত সাড়ে বারোটার দিকে হঠাৎ বাজারের মনিরের লেপ-তোশক ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। অগ্নিকান্ডে বাজারের ছোট-বড় মিলে ৬টি দোকান পুড়ে যায়। অনেকেই আগুনের তান্ডব থেকে মালামাল সরাতে গিয়ে আরো কয়েকটি দোকানঘর ভাঙচুর করেন। সবমিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমপক্ষে ৩০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। বৈদ্যুতিক ক্রটি বা শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্র হতে পারে। লেপ-তোশকের দোকান থেকে আগুন সূত্র ছড়িয়ে পড়ে। এতে লিমন ও সুমন মিয়ার কোহলি স্টোর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের অন্তত ১৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাকিদের প্রায় দশ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। নগরীর নজিরেরহাট ব্যবসায়ী দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মানিক মিয়া জানান, অগ্নিদুর্ঘটনায় বাজারের মুদিদোকান, পান দোকান, হার্ডওয়ার, লেপতোশক দোকান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। শর্টসার্কিট থেকে এই দুর্ঘটনার সূত্র হয়েছে। তবে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হওয়ায় পুরো বাজারে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি।
রংপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শওকত আলী জোদ্দার বলেন, খবর পেয়ে দুটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে বাজারের লেপতোশক ঘরের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে। পরে আগুন বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।