দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, এই লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২২শে অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাটের ডিসি পার্কে ‘বিশুদ্ধ পরিবেশ গড়ব, পৃথিবী সবুজে সাজাব’ স্লোগানকে সামনে রেখে সবুজ সেবা যুব বিজ্ঞান সংঘের আয়োজনে জেলাব্যাপী লক্ষাধিক তালবীজ বপণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন দুর্যোগসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের প্রবণতা ও প্রাণহানি বেড়েছে।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। একসময় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটত। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে সেই প্রাণহানি অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের আবহাওয়ায় যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিচ্ছে। এজন্য সরকার দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত বৃক্ষ নেই। এই কারণে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, সবুজ সেবা যুব বিজ্ঞান সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মো. খাইরুল ইসলাম, সংগঠনটির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ এন্তাজুর রহমানসহ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী।
এরপর মন্ত্রী লালমনিরহাট সার্কিট হাউজে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী, দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করেন।
হঠাৎ অসুস্থ তিন মন্ত্রী
৪ ঘন্টা আগে