কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) একটি টেলিভিশন টকশোতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান দেশটির সংসদ বিষয়কমন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগ পর্যন্ত ইমরান খানের সঙ্গে কোনো ধরনের সাক্ষাৎ অনুমোদন দেওয়া হবে না।
জিও নিউজের ‘ক্যাপিটাল টক’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ থাকলেও নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় সাক্ষাৎ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে সাক্ষাৎ বন্ধ থাকায় ইমরান খানের পরিবার এবং তার দল পিটিআই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের অভিযোগ, কারাগারের ভেতরে ইমরান খান যে পরিবেশে রয়েছেন, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে জাতিসংঘের এক বিশেষ প্রতিবেদকও মন্তব্য করে বলেছেন, ইমরান খানের আটকাবস্থা মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সংসদ বিষয়কমন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, কারাগারকে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও তাদের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে পিটিআইয়ের সমালোচনা করেন।
এর আগে গত সপ্তাহে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারের বাইরে ইমরান খানের সমর্থকদের অবস্থান কর্মসূচি ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জলকামান ব্যবহার করে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রানা সানাউল্লাহ জানান, কারাগারে সাক্ষাতের আড়ালে রাজধানীতে বড় ধরনের আন্দোলনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল বলেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার মতে, এসব বৈঠকে ভবিষ্যৎ কর্মসূচি ও কৌশল নির্ধারণ করা হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ইমরান খান কারাবন্দি। একটি দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পাশাপাশি ২০২৩ সালের ৯ মে সংঘটিত সহিংস বিক্ষোভ–সংক্রান্ত একাধিক মামলাও তার বিরুদ্ধে বিচারাধীন রয়েছে।
খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধায় তেহরানে নজিরবিহীন জনসমাগম
২ সপ্তাহ আগে
বাবার শেষ বিদায়ে থাকছেন না খামেনির ছেলে
২ সপ্তাহ আগে