রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি দিয়েছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাড. পলাশ কান্তি নাগ, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, মাহফুজ হোসেন, বীথি দাস নন্দিনী, বিজয় প্রসাদসহ সদস্যরা জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবরে স্বারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ স্বপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাড. পলাশ কান্তি নাগ বলেন, গণপতি স্যারসহ তার পরিবারের চার সদস্য হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত প্রক্রিয়া কোন পথে অগ্রসর হচ্ছে, এনিয়ে মানুষের মাঝে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা রয়েছে। শুধুমাত্র ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলায় চার জনকে হত্যা করা হয়েছে পুলিশের এমন বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের মনে হচ্ছে সুপরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথায় চার জনকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডের ৯ দিন পর অভিযুক্তদের ডোপ টেস্ট করিয়ে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। অথচ পুলিশ জানে শরীরে কতদিন পর্যন্ত মাদকের অস্তিত্ব থাকে। ঘটনার ১২ দিন অপর ৩৫টি আলামত ফরেনসিক করার জন্য পাঠানো হয়েছে। এসব নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি বলেন, গণপতি চক্রবর্তীর অবসর জনিত কারণে পাওয়া টাকা নিয়ে হত্যাকান্ডের যোগসূত্র থাকতে পারে। পুরো ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। সেজন্য আমরা বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করছি। বিতর্কিত ভূমিকার জন্য দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। পুলিশ যদি কোন পক্ষকে বাঁচানোর চেষ্টা করে তবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।
রংপুরের কাউনিয়ায় এতিমখানা মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ থানায় মামলা
৯ ঘন্টা আগে
২১ বছরে ৩১ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছে সুদমুক্ত ঋণ
১৭ ঘন্টা আগে