শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল লালমনিরহাট মতামত অন্যান্য

একসঙ্গে কয়েক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, বেড়েছে লোডশেডিং


প্রকাশ : (৫ ঘন্টা আগে)
একসঙ্গে কয়েক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, বেড়েছে লোডশেডিং

দেশে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র কারিগরি ত্রুটি ও গ্যাস সংকটে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ঘাটতি আবারও বেড়েছে। ভারত থেকে আসা আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট এবং দেশের আরএনপিএলের একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার বিদ্যুৎ পরিস্থিতির প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই সময় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলাম জানান, হঠাৎ করে আদানির একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। একই সময়ে আরএনপিএলের একটি ইউনিটও বন্ধ হয়েছে। এতে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বন্ধ ইউনিটগুলো দ্রুত সচল করার চেষ্টা চলছে।

জাতীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার রাত ১১টার দিকে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ১ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াট থেকে কমে ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে। একই সময়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদনও কমেছে। এক দিন আগে যেখানে এসব কেন্দ্র থেকে ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছিল, সেখানে উৎপাদন নেমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৫৭ মেগাওয়াটে।

এর বাইরে কারিগরি ত্রুটিতে কয়েকটি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও বন্ধ রয়েছে। আশুগঞ্জের ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কেন্দ্র এক দিন আগেও ৩১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেও পরে সেটি বন্ধ হয়ে যায়।

গ্যাস সংকটের কারণে শুধু ঢাকা অঞ্চলের অন্তত সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ অথবা কম সক্ষমতায় চলছে। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলেও একটি করে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়েছে। কয়েক সপ্তাহ কিছুটা স্বস্তির পর আবারও তীব্র লোডশেডিং শুরু হয়েছে। শহরাঞ্চলে দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন