রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিবেচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সূত্রগুলোর ভাষ্য, চলতি বছরের মে মাসে লন্ডন সফরের সময় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির একটি কথিত টেলিফোন আলাপ সরকারের নজরে আসে। এরপর থেকেই রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও জানা গেছে, সম্ভাব্য পদত্যাগের পেছনে শুধু ওই ফোনালাপ নয়, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও নানা বিষয় বিবেচনায় রয়েছে। বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা বিষয়টিকে "বহুমাত্রিক" বলে উল্লেখ করেছেন।
সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতির পদে পরিবর্তন হলে সেটি চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতার অংশ হিসেবেই দেখা হবে। তবে কবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে কিংবা তার উত্তরসূরি কে হবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এদিকে, রাষ্ট্রপতির বক্তব্য জানতে প্রেস সচিব সরওয়ার আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। এর আগে বিভিন্ন সময় তিনি সরকার চাইলে দায়িত্বে থাকার কিংবা প্রয়োজনে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত পদত্যাগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবির ভিত্তিতে প্রকাশিত। সরকার বা বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানানো হয়নি।
সীমান্তে বিজিবির বাধায় পিছু হটল বিএসএফ
২ দিন আগে