সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ জাতীয়

৮০ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা ২ লক্ষাধিক হয় কীভাবে? -মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী


প্রকাশ :

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ২০ হাজার নিয়মিত বাহিনী ও ৬০ হাজার ছাত্র-যুবক প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। অর্থাৎ ৮০ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা কীভাবে দুই লক্ষাধিক হয়েছে—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মাধ্যমে তদন্ত করে ভুয়াদের বাদ দেওয়া হবে।

তিনি গতকাল বুধবার মুক্তিযোদ্ধা ভবন চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যেসব রণাঙ্গনে সরাসরি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে, সেসব রণাঙ্গন চিহ্নিত করে স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। মেজর হাফিজ বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জাতির পরম গৌরবের ধন। বিগত ৫৪ বছরে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন করেনি। সর্বোপরি স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধারা আত্মাহুতি দিয়েছেন; যারা সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তাদের সম্মানজনক স্থান দেওয়া হয়নি। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতার ঘোষণায় দেশ স্বাধীন হয়নি।

তিনি বলেন, সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের মাধ্যমেই দেশের স্বাধীনতা ও বিজয় সুনিশ্চিত হয়েছে। যারা ’৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের দেখেনি, তারা হতভাগা। বাঙালি সাহসী জাতি। মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।

দোয়া ও ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর। বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল বাশার, যশোর জেলার ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ, খুলনা মহানগর কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, নেত্রকোনা জেলার ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংসদের সদস্য সচিব সাদেক আহমেদ খান।

ইফতার ও দোয়া মাহফিলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের নেতৃবৃন্দ, মহানগর, জেলা ও ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা কমিটির আহ্বায়কবৃন্দসহ আমন্ত্রিত অতিথিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।