আসন্ন ঈদুল ফিতর ও পবিত্র শবে কদর উপলক্ষে সরকারি ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত এক দিন যুক্ত করেছে সরকার। এর ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পূর্বঘোষিত ছুটির মধ্যবর্তী ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে এক দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ বেশিরভাগ বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।
তবে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ কিছু খাতকে এই ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা সচল রাখতে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বাস্থ্যসেবা খাতেও ছুটি প্রযোজ্য হবে না। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও জরুরি বিভাগে কর্মরত অন্যান্য কর্মীদের পাশাপাশি ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরাও নিয়মিত দায়িত্বে থাকবেন।
এ ছাড়া জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম চালু রাখবে বলে জানানো হয়েছে।
ব্যাংক খাতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সুপ্রিম কোর্ট।
অন্যদিকে বেসরকারি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ছুটি সংক্রান্ত নির্দেশনা বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হবে।
সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদরের ছুটি। এরপর ১৯ ও ২০ মার্চ ঈদের আগের দুই দিন এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদের পরের দুই দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ১৮ মার্চ নতুন করে যুক্ত হওয়ায় এবার ঈদে টানা সাত দিনের ছুটির সুযোগ তৈরি হলো।