রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ জাতীয়

বন্দর চুক্তি বাতিলের দাবি, ৪ ডিসেম্বর যমুনা ঘেরাওয়ের ঘোষণা


প্রকাশ :

বন্দর ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে করা চুক্তি দ্রুত বাতিল না হলে ৪ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। তাদের দাবি, ৩ ডিসেম্বরের মধ্যেই এসব চুক্তি বাতিলের বিষয়টি সরকারকে পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জোটের সমন্বয়ক ও বাসদ নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ। তিনি বলেন, পিপিপি আইনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তির আগে শর্ত প্রকাশে বাধা থাকলেও চুক্তি হওয়ার পর তা প্রকাশে কোনো নিষেধ নেই। তবুও সরকার শর্ত গোপন রেখে জনস্বার্থকে অগ্রাহ্য করছে। তাঁর অভিযোগ, শর্ত প্রকাশে অনীহা দেখানো মানেই চুক্তির মধ্যে এমন কিছু আছে, যা সরকার জনসমক্ষে আনতে সংকোচ বোধ করছে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, গোপনীয়ভাবে চুক্তি সম্পন্ন করে এবং তথ্য আড়াল রেখে কোনো রাষ্ট্রই ন্যায়–বিচার ও স্বচ্ছতার দাবিতে দাঁড়াতে পারে না। তাঁর প্রশ্ন, জনগণের কাছে শর্ত প্রকাশ না করেই কীভাবে বিশ্বাসযোগ্যতার কথা বলা যায়?

বন্দর ইজারা প্রক্রিয়াকে অস্বচ্ছ ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী উল্লেখ করে বাসদ (মার্ক্সবাদী)–এর সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, সরকারের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের বন্দরগুলোকে দুর্নীতি–ঘেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরতে পারে, যা দেশের ভাবমূর্তির জন্য অপমানজনক।

গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু বলেন, দেশের প্রধান বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর মতে, এ সিদ্ধান্ত দেশের সার্বিক স্বার্থের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আত্মঘাতী উদ্যোগের উদাহরণ।