কক্সবাজারের উখিয়ায় সীমানা বিরোধের জেরে সংঘর্ষে 'ফোর মার্ডারের' ঘটনায় অভিযুক্ত নুর হোসাইন (৫০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কারাগার থেকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের জেল সুপার মোহাম্মদ জাবেদ মেহেদী।
তিনি বলেন, নিত্যদিনের মতো কয়েদি নুর নিজ ওয়ার্ডে অবস্থান করছিলেন। তবে, হঠাৎ তিনি বুকে ব্যাথা অনুভব করে অসুস্থ বোধ করলে প্রথমে কারা হাসপাতাল এবং পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। তারা জানিয়েছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কয়েদি মারা গেছেন।
ময়নাতদন্তের পর আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সূত্র জানায়, কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং পশ্চিম পাড়া (৯ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার মৃত নছু মিয়ার ছেলে নুর হোসাইন আলোচিত ‘ফোর মার্ডার’ এর ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার এজাহারনামীয় ২ নম্বর আসামি।
গত ৬ এপ্রিল উপজেলার কুতুপালংয়ে ২০ শতক জমি নিয়ে বিরোধের জেরধরে আপন চাচাতো ভাইবোনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ জন ঘটনাস্থলে এবং আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনদিন পর মারা যান।
নিহতরা হলেন, ওই এলাকার নাজির হোসেনের ছেলে জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৮), তার আপন চাচাতো ভাই মো. আব্দুল মান্নান (৩৬), মান্নানের বড় বোন শাহিনা আক্তার (৩৮) এবং রওশন আরা।
দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উখিয়া থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। নিহত মামুনের মা ছমুদা বেগম বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় নুর হোসাইন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার এসআই তপু বড়ুয়া।