লালমনিরহাটে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা আর ৫ আগষ্টের চেতনা একই, তা হলো মুক্ত বাংলাদেশ, গনতান্ত্রিক বাংলাদেশ আর বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। এ বংলাদেশে কোনো স্বৈরাচার, কোনো প্রেতাত্মা নতুন করে যদি ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করে বা রাজপথে নামতে চায়, তাহলে তাদেরকে জনগণের পদতলে পিষ্ট করা হবে। এত রক্ত, এত জীবনহানির পরও তারা আবারো স্বপ্ন দেখছে। যত দিন পর্যন্ত তাদের বিচার হবে না এবং শেখ হাসিনাকে বাংলার মাটিতে এনে বিচার করা হবে না, তত দিন আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতি বাংলার মাটিতে করতে দেয়া হবে না।
রোববার (১০ নভেম্বর) বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালীর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ট্রাম্পকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে, সারাদেশের মানুষ তা দেখেছে। একের পর এক ষড়যন্ত্র চলছে— কখনো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে, কখনো আনসার বাহিনীকে নিয়ে আবার কখনো বিচার বিভাগকে নিয়েও। ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিল করে আবারও ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করেছিল, যার ফলে আজ সারা বাংলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা পাহারা বসিয়েছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি।"
লালমনিরহাটের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দল কার্যালয় চত্বরে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির আয়োজনে এ বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম মমিনুল হকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক, মোঃ রোকন উদ্দিন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম সরকার, মোঃ জাহিদ হোসেন মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ সাহেদুল হক পাটোয়ারী, মোঃ মজমুল হোসেন প্রামাণিক, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবুল বাশার সুমনসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
পরে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে লালমনিরহাটের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে লালমনিরহাট শহরের মিশন মোড়স্থ বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় "হামার বাড়ি"তে গিয়ে শেষ হয়।