ভলান্টিয়ার ডেভেলপমেন্ট ফোরামের (ভিডিএফ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন লালমনিরহাটের শহিদ ইসলাম। ৭৬১ ভোট পেয়ে তিনি এ পদে বিজয়ী হন। একই নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার আকিল আহমেদ। আজ ৪ নভেম্বর ভিডিএফ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁদের মধ্যে শহিদ ইসলাম ৭৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহরুখ করিম পেয়েছেন ৬৯১ ভোট। এ পদে সাইদ মাহমুদ ২৯৬ ভোট এবং ঋদ্ধ চাকমা ১৮৯ ভোট পেয়েছেন।
অন্যদিকে, সভাপতি পদে আকিল আহমেদ ৯৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আবু সালেহ মুছা ৭৭৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। এছাড়া খন্দকার আহাদুল্লাহ ১১৬ এবং মো. মখলেছার ৫৯ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সহ-সভাপতি-১ (কৌশল ও পরিকল্পনা) নাবিলা তাবাসসুম, সহ-সভাপতি-২ (কার্যক্রম ও পরিচালনা) মো. আপেল আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিঠুন শেখ এবং কোষাধ্যক্ষ উজ্জ্বল মিয়া।
এছাড়া মানবসম্পদ, প্রশাসন ও লজিস্টিকস বিষয়ক সম্পাদক আবুল্লাহ আল নোমান সানি, মিডিয়া ও জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক মু. তাহসিনুল ইসলাম, পর্যবেক্ষণ, গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক এস এম মানজুরুল ইসলাম সাজিদ, নারী ও শিশু কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নিশাত তামান্না ফারিয়া ইসলাম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ফাহমিদা আক্তার।
নির্বাচন কমিশনের বিবৃতিতে জানানো হয়, দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত ভোটারদের অংশগ্রহণে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোট ৩ হাজার ৫৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৯৩৭ জন ভোট প্রদান করেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ১১টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩৮ জন প্রার্থী।
বিভাগভিত্তিক ভোটার উপস্থিতির হিসাবে সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি ছিল সিলেট বিভাগে, ৭০ দশমিক ০৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম উপস্থিতি ছিল ঢাকা বিভাগে, ৪২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অন্যদিকে, মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের ভোটের অংশ ছিল সর্বোচ্চ ১৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনার নাজিয়া তারান্নুম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ৬৪ জেলার নির্বাচিত ভোটারদের অংশগ্রহণে নির্বাচনটি ভিডিএফের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব, অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে সম্পন্ন হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের মূল্যবোধ আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।