ইসরায়েলের আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে দেশটিকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি বছরের শেষেই এই সহায়তা বন্ধ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচনের দিন সকালে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি সহায়তা পেয়ে থাকে। তবে দেশটির এখন আর এই সহায়তার প্রয়োজন নেই।
ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি খারাপ আলোচনার বিষয়। যখন বলা হয়, আমরা কেন সবাইকে ৪ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছি না? ইসরায়েল আমাদের এক নম্বর। আমরা অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে তাদের বেশি অর্থ দিই। অথচ তাদের এখন আর এটির প্রয়োজন নেই।’
তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, ইসরায়েলকে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজন না থাকলে এ ইস্যুতে রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়ার কোনো কারণ নেই। বিশেষ করে মিশিগানের ডেমোক্র্যাট সিনেট মনোনীত প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের মতো রাজনীতিকদের সমালোচনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে স্বাক্ষরিত ১০ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ইসরায়েলকে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এই চুক্তির মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হওয়ার কথা। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে নির্ধারিত সময়ের আগেই সহায়তা বন্ধের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এই অর্থ দিয়ে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র কেনে।
ট্রাম্প জানান, ইসরায়েলের অর্থের প্রয়োজন থাকলে তিনি সহায়তা অব্যাহত রাখতেন। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়ে তিনি একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন।
সূত্র: সিএনএন