বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
☰ সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল লালমনিরহাট মতামত অন্যান্য

রাজারহাটে খানাখন্দে ভরা সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ


প্রকাশ : (১০ ঘন্টা আগে)
রাজারহাটে খানাখন্দে ভরা সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে খানাখন্দে ভরা সড়কে চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রী, চালক ও পথচারীরা। সড়কের কার্পেটিং উঠে বেরিয়ে এসেছে ইটের খোয়া। কোথাও কোথাও মাটি দেবে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। এসব গর্তে পড়ে প্রায়ই উল্টে যাচ্ছে যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ।

রাজারহাট উপজেলার সিংগারডাবড়ীহাট থেকে কুড়ারপাড়গামী সড়কের ফজলার রহমান নূরানী মাদ্রাসা থেকে চেতনা মৎস্য হ্যাচারি পর্যন্ত প্রায় আধা কিলোমিটার অংশের এমন বেহাল দশা দেখা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থা থাকলেও ভোগান্তি কমাতে কার্যকর সংস্কার করা হয়নি। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

খালিসা নাখেন্দা গ্রামের বাসিন্দা অটোরিকশাচালক বাসিদুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন আগে তাঁর অটোরিকশাটি উল্টে যায়। এতে তিনি ও অটোরিকশায় থাকা যাত্রীরা আহত হন। তাঁর নাকও ফেটে যায়। কিছুদিন আগে বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক বাচ্চু স্যারের মোটরসাইকেলও উল্টে যায়। এ ছাড়া সাইকেলে চলাচলকারী স্কুলগামী শিক্ষার্থীরাও প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

চৌকিদারপাড়ার অটোরিকশাচালক রায়হান বাদশা বলেন, ‘আগে এই রাস্তা দিয়ে ভাড়া মারতাম। এখন তো যাওয়াই যায় না। গেলেও বেশি ভাড়া নিতে হয়। উপায় নেই বলেই যাই। যাওয়া-আসার পথে যদি দুর্ঘটনা ঘটে, তখন কী হবে?’

ভ্যানচালক মোসলেম উদ্দিন বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে মালামাল নিয়ে যাওয়া কঠিন। সব জায়গায় ভাঙা। গাড়ি নিয়ে গেলে উল্টে যাওয়ার ভয় থাকে।’

এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা প্রকৌশলী এজাহারুল হক জানান, এক বছর আগে সড়কটি আম্পান প্রকল্পের আওতায় সংস্কারের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তবে বিলম্ব হওয়ায় পুনরায় সড়কটি যৌথ প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন