বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ কারাজীবন ভোগ করেও মাওলানা ভাসানী, কমরেড মনি সিং, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, অন্যান্য জাতীয় নেতৃবৃন্দ, অসংখ্য দেশপ্রেমিকদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় পাকিস্তানের শোষণ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন।
মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পূর্ব বাংলা, পশ্চিম বাংলা, আসাম, ত্রিপুরা নিয়ে ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি নৈতিক, মানবিক, স্বাধীন সার্বভৌম শক্তিশালী রাষ্ট্রের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। কমরেড মণি সিংহ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদসহ দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবীগণ শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীনমুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্য আমৃত্যু নিরলস সংগ্রাম করেছেন।
স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, কাজী আরেফ আহমেদ গোপন সংগঠন নিউক্লিয়াস ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ নামে সদস্য সংগ্রহ শুরু করেন।
১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে নিউক্লিয়াসের প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমেদ ছাত্রলীগ নেতা আসম আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ, মার্শাল মনিরুল ইসলাম, স্বপন কুমার চৌধুরী, ইউসুফ সালাউদ্দিন, কামরুল আলম খান খসরু, জগন্নাথ কলেজ ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম প্রমুখের উপস্থিতিতে সিরাজুল আলম খানের প্রস্তাবনায় সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের মাঝে হলুদ রঙের স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত পতাকা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।
৭ জুন ১৯৭০ পল্টনে অনুষ্ঠিত কুচঁকাওয়াজে আ স ম আবদুর রব সেই পতাকা বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন এবং বঙ্গবন্ধু সেই পতাকা ছাত্র-জনতার সামনে তুলে ধরেন।
তৎকালীন ইকবাল হলে বসেই সিরাজুল আলম খানসহ নিউক্লিয়াস নেতৃবৃন্দ স্বাধীনতার ইশতেহার প্রণয়ন, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা নির্ধারণ, জয়বাংলা বাহিনী গঠন, জয় বাংলা স্লোগান চূড়ান্ত করা, স্বাধীনতার জন্য জাতির মনন প্রস্তুত করা, ছাত্র যুবকদের সশস্ত্র যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা, অস্ত্র সংগ্রহ, ট্রেনিং কার্যক্রম শুরু করেন।
১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খান কর্তৃক জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বাতিল করলে ছাত্র-জনতা বিক্ষুদ্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। এই সময় বঙ্গবন্ধু হোটেল পূর্বানীতে পার্লামেন্টোরি দলের বৈঠক করছিলেন। বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা সেখানে গিয়ে উপস্থিত হলে, তিনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুকুম দেন।
ইয়াহিয়া খানের ঘোষণার প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রতিবাদের জনসমুদ্রে ডাকসু’র ভিপি আ স ম আবদুর রব বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত সবুজ রং আমাদের সুজলা-সুফলা বাংলাদেশ ও তারুণ্যের প্রতীক, আর লাল বর্ণ শহীদদের রক্তে রঞ্জিত বাংলাদেশ ও আত্মত্যাগের প্রতিফলনের প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
৩ মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীনতাকামী ছাত্র-জনতার বিশাল সমাবেশে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষে শাহজাহান সিরাজ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে আ স ম আবদুর রব, নূরে আলম সিদ্দিকী, শাহজাহান সিরাজ এবং আব্দুল কুদ্দুস মাখন মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার শপথ বাক্য পাঠ করেন।
ইশতেহারের ঘোষণায় বলা হয়—
*৫৪ হাজার ৫ শত ৬ বর্গমাইল বিস্তৃত ভৌগলিক এলাকার ৭ কোটি মানুষের আবাসিক ভুমি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম এ রাষ্ট্রের নাম ‘বাংলাদেশ’।
*স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশর জাতীয় সংগীত হিসেবে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ সংগীতটি ব্যবহৃত হবে।
*উপনিবেশবাদী পাকিস্তানী পতাকার পরিবর্তে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে হবে।
*বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক।
*’জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় শ্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
৩, ৪ ও ৬ মার্চ সিরাজুল আলম খানসহ নিউক্লিয়ার্স ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের হাইকমান্ডের সাথে বঙ্গবন্ধুর আলোচনা হয়।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে ‘আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ, প্রতিরোধ গড়ে তোলা’র আহ্বান জানিয়েছেন। ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম-এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ জয়বাংলা বলেই বঙ্গবন্ধু ভাষণ শেষ করেন।
বীর বাঙ্গালী অস্ত্র ধর*বাংলাদেশ স্বাধীন কর; তোমার আমার ঠিকানা*পদ্মা-মেঘনা-যমুনা; পিন্ডি না ঢাকা*ঢাকা-ঢাকা; জাতির অস্তিত্বের নির্যাস জয়বাংলা শ্লোগানে মুখরিত ঢাকা শহর।
১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বানে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন।
বঙ্গবন্ধু আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবস পালিত হবে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে। ২৩ মার্চ ভোরে রাজধানীর সচিবালয়, হাইকোর্ট, বিচারপতিগণের বাসভবন, কূটনৈতিক মিশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ সকল জেলা, মহকুমা এবং থানায় পাকিস্তানের জাতীয় পতাকার পরিবর্তে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। একমাত্র প্রেসিডেন্ট ভবন, গভর্নর হাউস, ক্যান্টনমেন্ট, মার্কিন কনস্যুলেট ও তেজগাঁও বিমানবন্দরেই কড়া নিরাপত্তার মাঝে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ লক্ষ জনতার উপস্থিতিতে পূর্ণ সামরিক কায়দায় জয় বাংলা বাহিনী’র প্রধান কামরুল আলম খান খসরুর রাইফেলের প্রকাশ্য গান ফায়ারের পর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। জয় বাংলা বাহিনী’র নারী কন্টিজেন্টের সদস্যরা রোকেয়া হলের ভিপি মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে ডামী রাইফেল নিয়ে মার্চ পাষ্ট করে পতাকার প্রতি সামরিক কায়দায় অভিবাদন জানান। স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের চার নেতা আ স ম আবদুর রব, আবদুল কুদ্দুস মাখন, নূরে আলম সিদ্দিকী ও শাজাহান সিরাজ অভিবাদন গ্রহণ করেন।
এ সময় মাইকে জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা’ বেজে ওঠে। এরপর ‘জয় বাংলা বাহিনী’ রাজপথে সামরিক কায়দায় মার্চ পাষ্ট করে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরস্থ বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে গেলে বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। একইসঙ্গে উড়ানো হয় কালো পতাকাও।
ভোর থেকেই ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী, চাকরিজীবী, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনতার একের পর এক মিছিল বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারের বাড়ির সামনে জড়ো হতে থাকেন।
বঙ্গবন্ধু উপস্থিত সর্বস্তরের জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘বাংলার দাবির প্রশ্নে কোনো আপোষ নাই।
২৩ মার্চ ঢাকা টেলিভিশনে পাকিস্তান দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান থাকলেও ঢাকা টেলিভিশনের বাঙালি কর্মীরা পাকিস্তান দিবসের কোনো অনুষ্ঠান প্রচার করতে দেননি। পাকিস্তানের জাতীয় সংগীতের বদলে বার বার প্রচারিত হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা। পাকিস্তানের জাতীয় পতাকার বদলে টেলিভিশনের পর্দায় ভেসে উঠেছিলো বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। যা দেখে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় পতাকা তৈরি করে বাড়িতে, হাটে, বাজারে পতাকা উত্তোলন করে। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হয় কবিতাসহ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে রচিত আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাটক ‘আবার আসিব ফিরে’।
এ দিন ভাসানী ন্যাপ ‘স্বাধীন পূর্ব বাংলা দিবস’ পালন করে। ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন), ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া) সহ পূর্ব বাংলার বিভিন্ন ছাত্র, নারী, বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার সংগঠন ঢাকা সহ সারা দেশে সভা-সমাবেশ-শোভাযাত্রা-মিছিল করে।
এ দিনই পূর্ব বাংলার বাঙালিরা স্বাধীনতা ও স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট গঠন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছিষট্রির আওয়ামী লীগের ৬ দফা ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার আন্দোলন, সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পাকিস্তান গণপরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন, প্রবাসী মুজিবনগর সরকার গঠন ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ইতিহাস বিকৃতি; বিভাজন; রাজনৈতিক সংঘাত-সংঘর্ষ; মিথ্যাচার; উশৃঙ্খলতা; একটি জাতির ধ্বংসের প্রধান হাতিয়ার।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান স্বাধীনতা। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিকল্পিত গণহত্যার বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনী বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র আন্তর্জাতিক সমর্থন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মহান স্বাধীনতার অঙ্গীকার এবং জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা চিরদিনের জন্য স্বৈরশাসকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ।
ইতিহাসের বিকৃতি রুখে দিয়ে সঠিক ইতিহাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
ইতিহাস বিকৃতির যেকোনো অপপ্রয়াস বাঙালির চেতনা ও স্বাধীনতার মূলনীতিকে নষ্ট করতে পারবে না।
মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ না করে ভারতে বসে যে খলনায়করা ষড়যন্ত্র করে জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, ভারতে আমোদ-ফুর্তি করেছে, মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ আমেরিকার সিআইএ এর যোগসাজশে পাকিস্তানের সাথে সমঝোতা করে একটি কনফেডারেশন গঠনের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে ও পরে তাজউদ্দীন আহমদের সাথে ফজলুল হক মনির অতিরঞ্জিত বাড়াবাড়ি, এমনকি জেনারেল সুজন সিং উবানের নেতৃত্বে মুজিব বাহিনী গঠনের চক্রান্ত, আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানে জেনারেল এম এ জি ওসমানীর উপস্থিতির প্রতিরোধ, ভারতীয় মিত্রবাহিনীর লুটের প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করায় সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলকে বীরউত্তম খেতাব থেকে বঞ্চিত করা, মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্ষণকারী, লুটেরাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ খেতাব দেওয়া, এমনকি বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল সেনাবাহিনীকে নতজানু বাহিনী করতে মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরে সশস্ত্র বাহিনীর মেধাবী, চৌকস, অকুতোভয়, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের খেতাবপ্রাপ্ত জাতির সূর্য সন্তানদের বিভিন্ন চক্রান্তে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। সর্বোপরি বঙ্গবন্ধু দেশের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট হওয়ার কি প্রয়োজন ছিলো? আজও দলীয় বিবেচনায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বানানোর চক্রান্তে দেশের বিবেকবান মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
দলমত নির্বিশেষে সকলকে ইতিহাস বিকৃতির মানসিকতা পরিহার করে মহান স্বাধীনতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, লক্ষ্য-উদেশ্য, স্বপ্ন, প্রকৃত ইতিহাস জানার-বুঝার, অন্যকে বুঝতে সহযোগিতা করা এবং অনিবার্য ধ্বংসের থেকে দেশকে রক্ষা করতে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে সকলের অবদান ও অপকর্মের প্রকৃত ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে জাতীয় ঐক্য জরুরি।
লেখক: গবেষক ও সংগঠক
(প্রকাশিত মতামতটি লেখকের নিজস্ব চিন্তা এবং এর দায়ভার পত্রিকা বা কর্তৃপক্ষ বহন করবে না।)