মেহেরপুরের দুটি সংসদীয় আসনের চারটি ভোটকেন্দ্রে পৃথক হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জামায়াতের ১৬ জন ও বিএনপির একজন কর্মী রয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, মেহেরপুর-২ আসনের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যেতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। জামায়াতের অভিযোগ, তাদের ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জামায়াতের ১০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে ৬ জনকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
একই উপজেলার ছাতিয়ান কেন্দ্রেও দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সেখানে জামায়াতের আরও ৪ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাংনীর খাসমহল গ্রামেও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির একজন কর্মী আহত হন।
অন্যদিকে, মেহেরপুর-১ আসনের চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে ফেরার পথে হামলার অভিযোগ উঠেছে। জামায়াতের দাবি, বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় তাদের দুই সমর্থক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক বিএনপি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।