বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

রংপুর-৪ আসনে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি’র বিরুদ্ধে জাপা প্রার্থীকে আটকিয়ে হেনস্থার অভিযোগ


প্রকাশ :

রংপুর-৪ আসনের জামায়াত-শিবির ও এনসিপি’র নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের মোঃ শাহ মাহবুবার রহমানকে আটকিয়ে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরীর মাহিগঞ্জ সরেয়ারতল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এনিয়ে এলাকাবাসীর সাথে জামায়াত-শিবির ও এনসিপি নেতাকর্মীদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে এলাকাবাসী জামায়াতের ১নং ওয়ার্ডের সেক্রেটারী মঞ্জুরুল ইসলামকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানার মাইদুল ইসলাম।

ভুক্তভোগী প্রার্থী, এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে রংপুর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মোঃ মাহবুবার রহমান তার আত্মীয় জানাজা শেষে নগরী থেকে পীরগাছার দিকে ফিরছিলেন। পীরগাছা উপজেলার প্রবেশ দ্বার নগরীর সরেয়ারতল এলাকায় আসলে তিনি গাড়ি থামিয়ে কিছু লোকজনের সাথে কথা বলেন। এ সময় ভোটের প্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলে এনসিপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা মাহবুবার রহমানকে আটকিয়ে গাড়ির চাবি নিয়ে নেয়। এনসিপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সাথে প্রার্থী মাহবুবার রহমানের বাকবিতন্ডা হলে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে তাদের ধাওয়া দেয়। এতে এনসিপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা পালিয়ে গেলে জামায়াত নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম স্থানীয় একটি দোকানে লুকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে তাকে উদ্ধার করে।

প্রার্থী আবু নাসের শাহ মোঃ মাহবুবার রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আমার পরিচিত স্থানীয় কিছু লোকজন ভিড় করলে গাড়ি থেকে নেমে আমি তাদের সাথে কথা বলি। জামায়াত-শিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীরা আমাকে হেনস্থা করাসহ গাড়ির চাবি নিয়ে চলে যায়। এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর সাথে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। রংপুর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির জোয়ার তৈরী হওয়ায় তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে। তাই এলাকাবাসী তাদের প্রতিহত করেছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম বলেন, সরেয়ারতলে উত্তেজনা তৈরী হওয়ায় আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। জামায়াত নেতা মঞ্জুরুলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এ ব্যাপারে এনসিপি জেলা আহ্বায়ক আল মামুনকে একাধিকবার ফোন করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।