বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ সারাদেশ

রংপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র শিবিরের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, সাংবাদিক লাঞ্চিত


প্রকাশ :

রংপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রশিবির। এ ঘটনায় সংবাদ সংগ্রহের সময় দীপ্ত টিভির প্রতিনিধি ফেরদৌস জয়সহ সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করে শিবিরের নেতাকর্মীরা  নেতাকর্মীরা । রবিবার বিকেলে নগরীর রাধাবল্লভ  এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।এঘটনায় চার সাংবাদিক আহত হয়েছেন।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়,স্থানীয় দোকানদার রেজাউল ইসলাম দোকান ঝাড়ামোছার কাজ করছিলেন সে সময় কয়েকজন ছাত্র তার উপর চড়াও হয় এবং এক পর্যায়ে তাকে মারধোর করেন।এতে তার মাথা ফেটে গেলে ওই ব্যবসায়ীকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়।

পরে স্থানীয়দের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায় শিবিরের নেতা কর্মীরা এতে শিবিরের দুই কর্মী আহত হন।তারা হলেন আলিফ ইমরান ও সিহাব ইসলাম।এছাড়া স্থানীয় কয়েকজন আহত হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

শিবির নেতা মোহাম্মদ আতিক জানান, স্থানীয় দোকানদারের সাথে ছাত্রদের একটি সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে।তবে এটি কোন রাজনৈতিক সংঘর্ষ নয় বলে জানান তিনি।

পরে নগরীর রাধাবল্লভ প্রাইমারি স্কুলের সামনে জড়ো হন শিবিরের নেতাকর্মীরা। দিতে থাকেন নানা রকম স্লোগান।

এদিকে শিবিরের কর্মীদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে তারা জানান,এই সংঘর্ষ ছাত্র দলের সাথে হয়েছে।কিন্তু গণমাধ্যমকর্মীরা  প্রশ্ন করলে তাদের ওপর চড়াও হন শিবিরের নেতাকর্মীরা।দিতে থাকেন নানান হুমকিধামকি। 

এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের মারধোর করেন শিবির নেতা কর্মীরা।এতে আহত হন চার সাংবাদিক। তারা হলেন দিপ্ত টিভির রংপুর জেলা প্রতিনিধি ফেরদৌস জয়,দেশ নিউজ বিডির বিশেষ প্রতিবেদক মেহেদি হাসান,চ্যানেল ওয়ানের চিত্র সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম মুকুল, একাত্তর টিভির রংপুর সদর প্রতিনিধি মাহবুব হোসেন সুমন। 

পরে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের অংশ হিসেবে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি করেন সাংবাদিকরা।ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে সাংবাদিকরা জানান,গত ১৭ বছর সাংবাদিকরা কোন প্রশ্ন করতে পারেনি এবারো তার ব্যাতিক্রম হচ্ছেনা তাহলে গণমাধ্যম স্বাধীন হলো কোথায়।

এসময় তিন দফা দাবি জানান সাংবাদিকরা ৩ দফা দাবি জানায়।দাবি গুলো হলো, 

১.সকল দলকে গণমাধ্যমর স্বাধীনতা নিশ্চিতে বিবৃতি দিতে হবে।

২.নির্বাচন কমিশনের কাছে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

৩.গনমাধ্যম কর্মীদের হামলার ঘটনায় দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের  আইনের আওতায় আনতে হবে। 

এবিষয়ে শিবিরের রংপুর মহানগর সাভাপতি নুরুল হুদাকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও কোন সাড়া মেলেনি।