ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের বোরহানগঞ্জ বাজারসংলগ্ন প্রধান সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে বোরহানউদ্দিন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রনজিৎ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট কাজী আজমের দাবি, পক্ষিয়া ইউনিয়নের দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় জামায়াতের একটি মিছিল ওই এলাকায় গেলে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল হাওলাদারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। তাকে উদ্ধার করতে গেলে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী হামলার শিকার হন। পরে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনায় ছয়জন আহত হন বলে দাবি করা হয়।
অন্যদিকে, বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাকসুদুর রহমান বলেন, মাগরিবের নামাজের পর বোরহানগঞ্জ বাজারের দলীয় কার্যালয় থেকে জামায়াত শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করে। এ সময় বিএনপির কর্মীদের হামলায় জামায়াতের কয়েকজন আহত হন বলে তিনি অভিযোগ করেন। পরে নুরুল ইসলাম মাস্টার নামে এক জামায়াত কর্মী বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।