হাতীবান্ধায় অনিয়মের আশংকায় নিয়োগ পরিক্ষা বাতিলের দাবি
স্টাফ রিপোর্টার: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় মাদ্রাসার নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ পরিক্ষা বাতিলের জন্য লিখত আবেদন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতী মোস্তাকিম বিল্লা। ১৯ জানুয়ারী সন্ধায় হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহ কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ করেন মোস্তাকিম বিল্লা।
মোস্তাকিম বিল্লা হাতীবান্ধা উপজেলার কেতকী বাড়ি গ্রামের রশিদুজ্জামানের ছেলে। এছাড়া সে বীর মুক্তিযোদ্ধা জমসের আলীর নাতী। জানাগেছে, কেতকী বাড়ি জিএম দাখিল মাদ্রাসার নিরাপত্তা কর্মীর পদটি অনেক দিন ধরে শূন্য রয়েছে। এমন অবস্থায় নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কর হয়। বিজ্ঞপ্তি দেখে যথাযথ নিয়মে আবেদন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতী মোস্তাকিম বিল্লা। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার নাতীকে বাদ দেওয়ার জন্য গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর সৈয়দপুর লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজে নিয়োগ পরিক্ষা সময় নির্ধারণ করা হয়। পরে ব্যাক্তিগত সমস্যা দেখিয়ে নিয়োগ পরিক্ষা স্থগিত করেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। এ দিকে আগামী ২০জানুয়ারী লালমনিরহাট জেলা শিক্ষা অফিসারের কর্যালয়ে পূনরায় নিয়োগ পরিক্ষা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু পরিক্ষার্থীরা পরিক্ষা সময় ও তারিখ ২৪ঘন্টা আগে হাতে পেয়েছেন। আর তাই মোটা অংকের বিনিয়োগ পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতী মোস্তাকিম বিল্লা বলেন, আমি একমাত্র মুক্তিযোদ্ধার নাতী নিরাপত্তা কর্মীর পদে আবেদন করেছি। আমার বাবার কাছে সাড়ে ৮লক্ষ টাকা দাবি করেন মাদ্রাসার প্রধান শহীদুল্লাহ  ও সভাপতি ফজলুল হক। আমার বাবা টাকা দিতে না পারায় মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতি আমাকে বাদ দেওয়ার সব ধরনের চেষ্টা করছে। নিয়ম অনুযায়ী পরিক্ষার শুরু ৭২ ঘন্টা আগে পরিক্ষার্থীকে জানানো হবে। কিন্তু আমাকে পরিক্ষার ২৪ঘন্টা আগে জানানো হয়েছে। আর তাই আমি পরিক্ষা বাতিলের জন্য ইউএনওসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত আবেদন করেছি।
এ বিষয়ে জানতে কেতকী বাড়ি জিএম দাখিল মাদ্রাসার সুপার শহীদুল্লাহ এর মোবাইল ফোনে ( ০১৭৫০৬৭৪২২৫)কল করা হলে, নিজেকে শহীদুল্লাহর ছেলে দবি করে বলেন, বাবা অসুস্থ ঘুমিয়ে পড়েছে তার সাথে কথা বলা যাবে না। এ বিষয়ে কেতকী বাড়ি জিএম দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি ফজলুল হক বলেন, কোন টাকা দাবি করা হয় নি। আমাকে হয়রানি করার জন্য এসব মিথ্যা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জাতীয় বার্তা- এর অন্যান্য খবর