লালমনিরহাটে দিনেদুপুরে ষোড়শী কন্যা গণধর্ষণের শিকার : আটক ২ ধর্ষক
স্টাফ রিপোর্টার: লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা টোলপ্লাজা এলাকায় এক ষোড়সী কন্যাকে দিন-দুপুড়ে গণধর্ষণের অভিযোগে দুই ধর্ষককে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ।
গত ১৪ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের পূর্বদালালপাড়া তিস্তা টোলপ্লাজা আফজালনগর এলাকায় রিপনের গুদাম ঘরে এই ঘটনা ঘটে।
ভিকটিম জানায়, ওই কিশোরীকে নির্মল চন্দ্র রায় তিস্তা ব্রীজ দেখানোর কথা বলে মোবাইলে ডেকে আনেন। ওই কিশোরী নির্মল চন্দ্র রায়ের প্রতিবেশি।
গত ১৪ জানুয়ারি বিকালে ভিকটিমের বাবা তাহের বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে। মামলা নাম্বার ৩১। আটক ধর্ষকরা হলেন- কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নের পশ্চিম দেবোত্তর এলাকার ত্রিপদ রায়ের ছেলে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী নির্মল চন্দ্র রায় (২৮) ও সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের পূর্ব দালালপাড়া তিস্তা টোলপ্লাজা আফজালনগর এলাকার ট্রাক্টর চালক তৈয়ব আলীর ছেলে আতিকুল ইসলাম (২৫)।
ওসি শাহা আলম জানান, লালমনিরহাট তিস্তা টোলপ্লাজা পুলিশ চেকপোস্টে দায়িত্বরত এসআই নুর আলমকে কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নের পশ্চিম দেবোত্তর এলাকার এক ষোড়শী কন্যা গণধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা জানালে তাৎক্ষণিক ওই পুলিশ অফিসার দুই ধর্ষককে আটক করে এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিস্তা টোলপ্লাজা আফজালনগর এলাকার সেকেন্দার আলীর ছেলে রিপন (৩৫) নামে এক যুবকের গোডাউনে ওই কিশোরীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গণর্ধষণ করে নির্মল ও তার বন্ধু আতিকুল। ভিকটিমের নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্য আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছি এবং ওই কন্যার পরিবারের লোকজনকে ডেকেছি।
লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) মারুফা জামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিক্টিম আমাদের হেফাজতে রয়েছে। আমি ভিকটিমের সাথে কথা বলেছি। তার কথা গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তার বস্ত্র পরীক্ষা করার জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
এক নজরে- এর অন্যান্য খবর