রংপুরে শীতে ধানের বীজতলা ক্ষতির আশঙ্কা বীজতলা রক্ষায় পলিথিন কাগজ দিয়ে ঢেকে রাখছেন কৃষকরা
রংপুর অফিস: রংপুরে বোরো ধানের বীজতলা গুড়ি-গুড়ি বৃষ্টির ন্যায় হিমেল কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায়বোরো ধানের বীজতলা নিয়ে কৃষকরা শংকিত হয়ে পড়েছেন। অনেক কৃষক তাদের রোপন করা বোরো ধানের বীজতলা রক্ষায় পলিথিন কাগজ দিয়ে বিকেল পড়ার সাথেই ঢেকে রাখছেন। জেলার অনেক এলাকায় দেখাগেছে বহু বীজতলায় চারা হলুদ ও লালচে বর্ণ ধারণ করেছে। এ অবস্থা আরও কয়েকদিন চললে বীজতলা নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। শীতেক কারনে বোরো বীজ তলার বারন্ত স্তবির হয়ে পড়েছে। রংপুর খামার বাড়ী কৃষি বিভাগ বলছে, বীজতলা পরিচর্যায় কৃষি অফিস কৃষকদের দোর গোড়ায় গিয়ে পরামর্শ দিচ্ছে। রোদ উঠলে বীজতলা সজিব হয়ে উঠবে।
রংপুর অঞ্চল কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ অঞ্চলের রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামরী ও গাইবান্ধা জেলায় ২৩ হাজার ২০১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।গত কাল শনিবার পর্যন্ত ১৮ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে বীজতলা করা হয়েছে। এ সব বীজতলার বয়স ২০ থেকে ৩০ দিন।
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক আলম,বাতেন,মেনাজ,আবেদ,শাহালম জানান,গত এক সপ্তাহ ধরে রংপুর অঞ্চলে তীব্র ঠান্ডার কারণে অনেকস্থানের বীজতলার চারা হলুদ বর্ণ হয়ে শুকিয়ে যেতে বসেছে। কৃষকরা আরো বলছেন, বীজতলা রক্ষায় প্রতিষেধক দিয়েও কাজ হচ্ছে। কিছুতেই বীজতলা সজিব করা যাচ্ছে না।বীজতলা নষ্ট হয়ে গেলে পুনরায় বীজতলা করা অনেকের পক্ষে সম্ভব নাও হতে পারে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। তাই তারা বীজতলা রক্ষায় চেষ্টা চালিয়ে যাচেছন।
রংপুর  অঞ্চল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, তারা বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা ও সালফারযুক্ত ওষুধ ছিটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া বীজতলায় জিপসাম ও ইউরিয়া দিতে বলা হচ্ছে। তিনি আশা করছেন, রোদ পেলে চারা সজিব হয়ে উঠবে।
রংপুর জেলা আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান,রংপুর অঞ্চলে শৈত্য প্রবাহ চলছে। এর প্রভাব একটু বেশি হলেই কৃষিতে বিরুপ প্রভাব পড়বে বলে তিনি জানান।
বিভাগীয় বার্তা- এর অন্যান্য খবর