লালমনিরহাট বার্তা
লোগোর পাশের বিজ্ঞাপন
রংপুরে নতুন নিয়ম চালু রমজানে ২৫০ গ্রাম গরুর মাংস কিনতে পারবেন সাধারন ক্রেতা
রংপুর অফিস | ১৬ মার্চ, ২০২৩, ১০:৫১ AM
রংপুরে নতুন নিয়ম চালু রমজানে ২৫০ গ্রাম গরুর মাংস কিনতে পারবেন সাধারন ক্রেতা

পবিত্র মাহে রমজানে ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী রংপুর নগরীতে সর্বনিম্ন ২৫০ গ্রাম মাংস বিক্রির ব্যবস্থা করতে উদ্যোগ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিটি কর্পোরেশনের হলরুমে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাংস ব্যবসায়ী ও নগরীরর বিভিন্ন বাজার কমিটির সাথে মতবিনিময় করে এ নতুন নিয়মের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রংপুরে আধা কেজির কমে বিক্রি হয় না গরুর মাংস। একারণে নিম্ন আয়ের দরিদ্র মানুষের চাহিদা অনুযায়ী মাংস কিনতে পারছেন না। অনেক পরিবারের সদস্যদের আবদার যারা ফেলতে পারছেন না। পরিবার গুলো দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো গরুর মাথা, কলিজা, ফুসফুস, ভুরি কিনে খাচ্ছে।

রংপুর নগরীতে ছোট বড় ২২টি বাজার ছাড়াও পাড়া-মহল্লার মোড়ে রয়েছে গরুর মাংস বিক্রির দোকান। প্রতিদিন কমপক্ষে ১৭৫ থেকে ২০০ গরু জবাই করা হয়। বর্তমানে গরুর মাংসের প্রতি কেজি ৭০০ টাকা। সাধ আছে, কিন্তু সাধ্য না থাকায় গরুর মাংস কিনতে পারছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ।দুই সদস্যের পরিবারে এক বেলার জন্য দেড় থেকে দু’শ গ্রাম মাংস যথেষ্ট । রংপুরে এই পরিমাণ মাংস কেনা-বেচার প্রচলন নেই। সর্বনিম্ন আধা কেজি মাংস কিনতে হয়, যার দাম৩৫০ টাকা। এই পরিমাণ মাংস কিনলে একদিনের রোজগারের প্রায় পুরোটাই চলে যায়।

রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে অনেক মানুষ, বিশেষত দারিদ্র মানুষ তাদের শিশুদের মুখে এক মাসে একবার মাংস তুলে দিতে পারছেন না। রোজার মাস শুরু হওয়ার আগে মহানগরীর সব মাংস ব্যবসায়ীকে ডেকে মানুষের সাধ্য অনুযায়ী মাংস কেনা-বেচার ব্যবস্থা করবো।বাংলাদেশে না থাকলেও প্রতিবেশী ভারতে একশ’ বা দুই শ’ গ্রাম মাংস বিক্রি হয়।এ নিয়ম চালু করতে পারলে দরিদ্র মানুষ মাংস খেতে পারবে।মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে কমপক্ষে ২৫০ গ্রাম যেন মাংস বিক্রি করা হয়। ক্রেতা বা ভোক্তা যেন মাংস কিনতে এসে ফিরে না যায় সেই দিকটাকে গুরুত্ব দিতে হবে।এ নিয়ম বাস্তবায়ন করতে সিটি করর্পোরেশনের মনিটরিং টিম মাঠে কাজ করবে।পাশাপাশি আমরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সহ প্রশাসনের সহায়তা নিব। আমাদের কাছে যদি এধরণের অভিযোগ আসে তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমরা ওই মাংস ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল করে দিব। এই নিয়ম রমজানের শুরু থেকেই বাস্তবায়ন করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর