লালমনিরহাট বার্তা
করোনার কারনে বন্ধ খোলার পর রংপুরের স্কুল-কলেজগুলোতে প্রাণ ফিরেছে
রংপুর অফিসঃ | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১১:২৮ AM
করোনার কারনে বন্ধ খোলার পর রংপুরের স্কুল-কলেজগুলোতে প্রাণ ফিরেছে
সকাল থেকেই রংপুর জেলার প্রতিটি সড়কই ছিল বিদ্যালয় গামী শিক্ষার্থীদের আনাগোনা। তাদের স্কুলের প্রিয় পোশাকটি গায়ে জড়িয়ে তারা ছুটছিল স্কুলের পথে। শহরের স্কুল-কলেজের সামনে আবার সেই অভিভাবকদের জটলা। ফুটপাতে পত্রিকা বিছিয়ে চলছে তাঁদের খোশগল্প।
রংপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র রোদের-গরম উপেক্ষা করেই স্কুল-কলেজগুলোর ফটকের সামনে শিক্ষার্থী-অভিভাবকেরা সময়মতো হাজির হয়েছেন। এ সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সবাইকে মাস্ক পরে থাকতে দেখা যায়। তবে অন্যান্য দিনের মতো স্কুল– কলেজ গুলোর সামনে ঝালমুড়ি, চানাচুরসহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবারের ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো বসতে দেখা যায়নি।
রংপুর জিলা স্কুলে দেখা যায়, বিদ্যালয়ে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। এরপর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পর শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। শ্রেণি কক্ষের ভিতরে সামাজিক দূরত্ব মেনে শিক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রংপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, স্কুলের সব শিক্ষক-কর্মচারী টিকা নিয়েছেন। পুরো স্কুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যা যা করণীয়, সেগুলো সব মানা হচ্ছে। প্রথম দিন হিসেবে আজ স্কুলের উপস্থিতিও সন্তোষ জনক।
রংপুর ক্যান্টনমেন্ট স্কুল ও কলেজের গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের স্কুলে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত নির্দেশনাগুলো স্কুল কর্তৃপক্ষ মাইকের মাধ্যমে প্রচার করছে। সেখানে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপার পাশাপাশি হাত জীবাণু মুক্ত করণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রংপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ থাকলেও ছোট ফটক দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে দেখা যায়। এখানেও স্কুল প্রাঙ্গণে অভিভাবকদের প্রবেশে বাধা ছিল। তাই স্কুলের মূল ফটকের বাইরে রাস্তা ও ফুটপাতে অভিভাবকদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
মাধ্যমিক পর্যায়ের একজন ছাত্রী বলেন, এত দিন পর বান্ধবীদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় যেমন আনন্দ লাগছে আবার অনেককে দেখতে অচেনা লাগছে।
রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল ও কলেজে দেখা যায়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মুখে মাস্ক থাকলেও স্কুলের বাইরে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে অভিভাবকদের মধ্যে উদাসীন।
জেলার কাউনিয়া উপজেলার মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখাযায়,ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের স্কুলে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে সরকার ঘোষিত নির্দেশনাগুলো স্কুল কর্তৃপক্ষ।সেখানে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপার পাশাপাশি হাত জীবাণু মুক্ত করণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতেক শ্রেণিকক্ষে প্রথম দিনের ক্লাসে সচেতনতামূলক নানা পরামর্শ দিচ্ছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহ্ মোঃ ইকবাল হোসেন।
এই বিভাগের আরও খবর