লালমনিরহাট বার্তা
অন লাইন ট্রেনিং ফর জার্নালিস্ট কর্মসূচীর সার্ভে কার্যক্রমের রংপুর বিভাগীয় সভা
স্টাফ রিপোর্টার : May 26, 2021, 6:10:05 PM সময়ে

অন লাইন ট্রেনিং ফর জার্নালিস্ট কর্মসূচীর সার্ভে কার্যক্রমের রংপুর বিভাগীয় সভা

দি হাঙ্গার প্রজেক্ট ও সুজন- সুশাসনের জন্য নাগরিক-এর উদ্দ্যোগে অন লাইন ট্রেনিং ফর জার্নালিস্ট অন লাইন ট্রেনিং ফর জার্নালিস্ট বেজ লাইন সার্ভে কার্যক্রম বিষয়ে গত ২৩ মে জুম এর মাধ্যমে রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের বিষয়ে প্রতিনিধিদের উপর পরিচালিত জরিপ থেকে তথ্য ও ধারণা নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ও প্রকল্পের ম্যানেজার দিলীপ কুমার সরকার। সূচনা বক্তব্য রাখেন সুজন রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়কারী রাজেস দে। জরিপের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর প্রশিক্ষক বিভাগের প্রধান জমিরুল ইসলাম, জরিপ প্রতিদেবন উপস্থাপন করেন প্রকল্পের ট্রেনিং অফিসার সোহেল রানা প্রশ্নউত্তর পর্বে জরিফ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন ন্যাশনাল কনসালটেন্ট তৌফিক আলী। 
আলোচনা রংপুর বিভাগের ৮টি জেলা থেকে ১ জন করে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও ৪ জন করে সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। নাগরিক সমাজে প্রতিনিধিদের মধ্যে রয়েছেন সুজন কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি খায়রুল আলম, লালমনিরহাট জেলা কমিটির সভাপতি গেরিলা লিডার ড. এস এম শফিকুল ইসলাম কানু, রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ খন্দকার ফখরুল আনাম বেঞ্জু, গাইবান্ধা জেলা সাধারন সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, নীলফামারী জেলা সাধারন সম্পাদক আনোয়ারুল আলম, দিনাজপুর জেলা সাধারন  সম্পাদক লোকমান হাকিম। পঞ্চগড় জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ভুট্টু, ঠাকুরগাঁ জেলা কমিটির সদস্য ফিরোজ আলম। ৮টি জেলায় প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
প্রাককথন বলা হয়
সুশাসন নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যাগুলো হলো : 
(১)দুর্নীতি, (২) স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতার অভাব, (৩) আইনের শাসনের অভাব, (৪) মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অভাব।
২০২০ সালের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি দেশের জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সুশাসনহীনতা বিষয়টি পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে।  
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে করোনা মোকাবিলায় সংক্রামন রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন মানা হয়নি এবং বিদেশী অর্থায়নে পরিচালিত সরকারি প্রকল্পে সব ধরনের ক্রয়ে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ অনুসরণ করা হয়নি (বাংলা ট্রিবিউন, ১০ নভেম্বর ২০২০)।
দুর্নীতি দমন কমিশন ২০১৯ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে দুর্নীতির ১১টি খাত চিহ্নিত করে। অন্যতম কয়েকটি খাত হলো : স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, পদায়ন, চিকিৎসা চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইক্যুইপমেন্ট ব্যবহার ওষুধ সরবরাহ ইত্যাদি (বাংলা ট্রিবিউন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০)।
সুশাসন পরিমাপের ছয়টি চলক (দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার অনুপস্থিতি, সরকারের কার্যকারিত, নিয়মবিধির প্রায়োগিকতা, আইনের শাসন এবং দুর্নীতির নিয়ন্ত্রণ) ব্যবহার করে অর্থনীতিবিদ নজরুল ইসলাম দেখিয়েছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বা শিল্পোন্নত দেশগুলোর চেয়ে লক্ষণীয়ভাবে পিছিয়ে রয়েছে (প্রথম আলো, ১৬ এপ্রিল ২০১৬)।
সুশাসন নিশ্চিতের এই সমস্যা কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে:
বাংলাদেশে সুশাসন নিশ্চিতে গৃহীত জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলপত্র, তথ্য অধিকার আইন ও অন্যান্য সাংঘর্ষিক আইনের পারস্পরিক বাস্তবতা ও প্রয়োগিক দিকের অবস্থা কী?
স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সুশাসন নিশ্চিতে সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি কতদূর?
সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগের বাস্তব অবস্থা কেমন এবং এর ব্যবহারিক দিকসমূহের প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী?
জরিপের উদ্দেশ্য
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলপত্র ও তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের জ্ঞান, ব্যবহারিক দক্ষতা ও ধারণাগত অবস্থা নির্ধারণ।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বেগবান করার লক্ষ্যে সাংবাদিকদের পেশাগত সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্র এবং ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিতকরণ।
গবেষণা পদ্ধতি
এই গবেষণায় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য পরিমাণগত গবেষণা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে।
দেশের ৬১ জেলার সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের ৩ শত ০৫ জনের একটি তালিকা থেকে দৈব চয়ন পদ্ধতিতে ১ শত ৮৪ জন অংশগ্রহণকারীকে বাছাই করা হয়। 
বাছাইকৃত ১ শত ৮৪ জন অংশগ্রহণকারী দেশের ৫৭টি জেলায় কর্মরত রয়েছে যাদের মধ্যে সাংবাদিক ১ শত ৩৪ জন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ৫০ জন। পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি প্রশ্নপত্র তৈরী করা হয় এবং গুগল শীট ব্যবহার করে অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সংগৃহীত তথ্য পুনঃনিরীক্ষণের পরে মাইক্রসফট এক্সেল ব্যবহার করে তথ্য উপাত্তের বিশ্লেষণ করা হয়।
পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি দেশের প্রথম সারির চারটি পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলের চারজন জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিকদের কাছ থেকে গুণগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
জরিপের ফলাফল
অংশগ্রহণকারীদের সম্পর্কে সাধারণ তথ্য
* সাংবাদিক প্রায় ৭৩ শতাংশ * নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ২৭ শতাংশ * পুরুষ ৮৩ শতাংশ, নারী ১৭ শতাংশ * প্রিন্ট মিডিয়া সংযুক্ত প্রায় ৪৯ শতাংশ * একাধিক মিডিয়া সংযুক্ত প্রায় ২৫ শতাংশ  * টেলিভিশন সাংবাদিক প্রায় ২০ শতাংশ * অনলাইন সাংবাদিক প্রায় ৭ শতাংশ।
বিদ্যমান আইন ও নীতিসমূহ সম্পর্কে সাধারণ ধারণা
* তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে অবগত ৭৭ শতাংশ * জাতীয় শুদ্ধাচারে কৌশলপত্র সম্পর্কে অবগত প্রায় ২৬ শতাংশ * উল্লেখিত আইন ও নীতি সম্পর্কে অবগত নয় ১৬ শতাংশ * হুইসেল বেøায়ার অ্যাক্ট সম্পর্কে অবগত ১ শতাংশ * অ্যানুয়াল পারপর্মেন্স সম্পর্কে অবগত ১ শতাংশ।
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে অবগতির পর্যায়
* পূর্নাঙ্গ ধারণা আছে : আরটিআই প্রায় ৪ শতাংশ এবং এনআইএস প্রায় ১ শতাংশ * ভালো ধারণা আছে : আরটিআই প্রায় ১৩ শতাংশ এবং এসআইএস প্রায় ৪ শতাংশ * মোটামুটি ধারণা আছে : আরটিআই প্রায় ৫৭ শতাংশ এবং এনএসআই প্রায় ৪৫ শতাং * ধারণা নেই : আরটিআই প্রায় ২১ শতাংশ এবং এনআইএস প্রায় ৩৪ শতাংশ * কোনো ধারণাই নেই : আরটিআই প্রায় ৪ শতাংশ এবং এনআইএস ১৭ শতাংশ।
জাতীয় শুদ্ধাচারে কৌশল ও তথ্য অধিকার আইনের গুরুত্ব সম্পর্কে মতামত
সুশাসন নিশ্চিতের প্রায় ৮০ শতাংশ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংগ্রামে প্রায় ৬৮ শতাংশ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য প্রায় ৬৫ শতাংশ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ৫৩ শতাংশ, মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রায় ৫৮ শতাংশ।
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে মতামত
* সন্তোষজনক : ১১ শতাংশ * মোটামুটি মানের : ৪৯ শতাংশ * সন্তোষজনক নয় : ৪০ শতাংশ।
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বর্তমান অবস্থা কারণ সম্পর্কে মতামত
নিবর্তনমূলক আইন যেমন আইসিটি অ্যাক্ট, ডিজিটাল, সিকিউরিটি অ্যাক্ট এবং অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ভয় পান প্রায় ১১ শতাংশ।
সংবাদ মাধ্যমের উপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করেন প্রায় ৪২ শতাংশ যার কারণে সাংবাদিকেরা সংবাদ প্রকাশে পিছপা হন।
সাংবাদিকদের অসততাকে দায়ী করেন প্রায় ১২ শতাংশ।
প্রয়োজনীয় তথ্য লাভ করতে ব্যর্থ হওয়াকে দায়ী করেন প্রায় ৩৪ শতাংশ।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সমস্যা সম্পর্কে মতামত
* সাংবাদিকদের উপর স্থানীয় ও জাতীয় রাজনৈতিক চাপ রয়েছে মনে করেন ৮৯ শতাংশ * সাংবাদিকদের সঠিক প্রশিক্ষণ নেই মনে করেন প্রায় ৭০ শতাংশ * তথ্য সংগ্রহের নানামুখী জটিলতা রয়েছে মনে করেন ৬৬ শতাংশ * সাংবাদিকদের মধ্যে আরটিআই সম্পর্কে সঠিক ধারণার অভাব মনে করেন প্রায় ৫৫ শতাংশ * ব্যক্তিগত নিরাপত্তাহীনতার কারণকে উল্লেখ করেছেন ৬১ শতাংশ।
সাংবাদিকদের ঝুঁকি
আইসিটি অ্যাক্টের ভয় ৭৯ শতাংশ, ক্ষমতাশীল রাজনৈতিক দল থেকে চাপ ৬৯ শতাংশ, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তির ভয় ৫৭ শতাংশ, চাকরী হারানোর ভয় ২৪ শতাংশ, স্থানীয় প্রশাসনিক চাপ ৪৮ শতাংশ।
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বৃদ্ধির জন্য করনীয়
* সাংবাদিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি ৯২ শতাংশ * আরটিআই ও এর প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা বৃদ্ধি ৬৫ শতাংশ * এনআইএস সম্পর্কে ধারণাবৃদ্ধি ৭৩ শতাংশ * মুক্ত গণমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা প্রায় ৭২ শতাংশ।
গুনগত গবেষণার ফলাফল
সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, তথ্য অধিকার আইন, হুইসেল বেøায়ার অ্যাক্ট এবং অন্যান্য আইন ও নীতি সম্পর্কে ধারণা ও জ্ঞান সীমিত।
সাংবাদিকদের সঠিক প্রশিক্ষণের অভাব রয়েছে যা তথ্য অধিকার আইন প্রয়োগ করে তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারে বাধাগ্রস্থ করে।
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান অন্তরায় হলো ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট যা মূলত গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার।
বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কিছু অন্তরায় থাকলেও সাংবাদিকদের বেশ কিছু দুঃসাহসিক কার্যক্রমে নানা দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়েছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
জরিপের সার্বিক বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তথ্য অধিকার আইন, হুইসেল বেøায়ার অ্যাক্ট এবং অন্যান্য আইন সম্পর্কে সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের মধ্যে ধারণা কম।
দেশে বিদ্যমান আইন একে অপরের সাথে সাংঘর্ষিক। তথ্য অধিকার আইন এবং ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট একে অপরের পরস্পর বিরোধী।
তথ্য অধিকার আইন, হুইসেল বেøায়ার অ্যাক্ট,জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ইত্যাদি আইন ও নীতি সম্পর্কে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণের উদ্যোগে ঘাটতি আছে।
দেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নানা কারণে বাধাগ্রস্ত হয় যা সুশাসনের অন্তরায়। দক্ষ সাংবাদিক গড়ে তোলার জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে যা মোকাবিলায় পদক্ষেপ গ্রহণকরা উচিৎ।
সুপারিশ 
সরকার ও এনজিওদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সাংবাদিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা।
সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের জন্য প্রকাশনা ও রিপোটিং ম্যানুয়াল তৈরি করা। সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণে ঊঃযরপধষ বা ঔড়ঁৎহধষরংস কে অন্তর্ভুক্ত করা। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের জন্য বাৎসরিক পুরস্কারের ব্যবস্থা করা। সাংবাদিকদের জন্য এৎরবাধহপব ঝযধৎরহম গবপযধহরংস চালু করা ও তার তত্ত¡াবধান। গণমাধ্যমের উপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ হ্রাসের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সাংবাদিকদের চাকুরীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা। জাতীয় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করা।