লিওনেল মেসিকে সৌদি আরবে আনার স্বপ্ন এখনো ছাড়েনি আল-ইত্তিহাদ। ক্লাবটির সভাপতি আনমার আল হাইলির সাম্প্রতিক মন্তব্যে আবারও স্পষ্ট হয়েছে, আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে দলে পেতে অর্থ কোনো বাধা নয়। মেসি সম্মত হলে তাকে আজীবন চুক্তির মতো ব্যতিক্রমী প্রস্তাব দিতেও প্রস্তুত তারা।
২০২৩ সালে পিএসজি ছাড়ার সময় মেসিকে দলে ভেড়াতে সবচেয়ে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছিল আল-ইত্তিহাদ। শুরুতে বছরে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হলেও সময়ের সঙ্গে সেটি বাড়তে বাড়তে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছায়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় এই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত ফিরিয়ে দেন মেসি এবং বেছে নেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামিকে।
এত বড় অঙ্কের প্রস্তাব কেন ফিরিয়ে দিলেন মেসি—এ প্রসঙ্গে আল হাইলির ব্যাখ্যা পরিষ্কার। তার ভাষ্য, সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে ছিল মেসির পরিবার। তিনি বলেন, মেসির কাছে পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্য ও সুখ অর্থের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণেই কোনো দ্বিধা ছাড়াই তিনি ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন।
বর্তমানে ৩৮ বছর বয়সী মেসি ইন্টার মায়ামির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে নিয়েছেন ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফলে নিকট ভবিষ্যতে তাকে সৌদি প্রো লিগে দেখার সম্ভাবনা কম। তবে আশা ছাড়ছেন না আল-ইত্তিহাদ সভাপতি। তার বিশ্বাস, মেসির মতো একজন খেলোয়াড়কে সৌদি আরবের মাঠে নামাতে পারলে সেটি শুধু অর্থের হিসাবেই সীমাবদ্ধ থাকত না। তার মতে, তখন লিগ শুরুর আগেই শিরোপার উৎসব শুরু হয়ে যেত, কারণ দলে থাকতেন ফুটবল ইতিহাসের সেরা একজন।