যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউরোপের বাইরে থাকা ১৯টি দেশের অভিবাসন আবেদন সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং কিছু অপরাধমূলক ঘটনার পর নতুনভাবে মূল্যায়নের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
যাদের ওপর সিদ্ধান্তটি প্রভাব ফেলবে, তারা আগে থেকেই ভিসা বা ভ্রমণ সীমাবদ্ধতার তালিকায় ছিলেন। এবার সরাসরি অভিবাসন আবেদন স্থগিত হওয়ায় প্রক্রিয়াটি আরও কঠোর হলো।
সরকারি নথিতে দাবি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক এক হামলার ঘটনায় বিদেশি নাগরিকের জড়িত থাকার অভিযোগের পর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এতে একজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হন এবং আরেকজন আহত হন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন পদক্ষেপটি শুধু অবৈধ প্রবেশ ঠেকানো নয়, বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাকেও সীমিত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। প্রশাসন বলছে, আবেদনকারীদের নিরাপত্তা প্রোফাইল আরও গভীরভাবে যাচাই করা হবে এবং প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকার নেওয়া হবে।
তালিকার দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান, সোমালিয়া, ইরান, লিবিয়া, সুদান, ইয়েমেনসহ বেশ কয়েকটি দেশ রয়েছে, যাদের ওপর আগে থেকেই কড়া বিধিনিষেধ চালু ছিল। অন্য কিছু দেশ আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় থাকলেও এবার অভিবাসন আবেদনও স্থগিত করা হলো।
প্রশাসনের বক্তব্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উদ্বেগজনক ঘটনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন শুরু হয়েছে, যার পরিণতি কেবল অভিবাসী নয়, অর্থনীতি ও শ্রমবাজারেও পড়তে পারে।