সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২
সর্বশেষ বিশেষ সংবাদ জাতীয় সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলা বিনোদন বাণিজ্য লাইফস্টাইল আইন-আদালত মতামত অন্যান্য
/ জাতীয়

২০২৬ সালের হজে নিবন্ধন সম্পন্ন ৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশির


প্রকাশ :

২০২৬ সালে পবিত্র হজ পালনের জন্য এখন পর্যন্ত ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন করেছেন ৭২ হাজার ৩৪৪ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ২৬০ জন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। নিবন্ধিত হজযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিক্যাল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়ক দলও সৌদি আরবে যাবেন হজযাত্রীদের সেবা ও ব্যবস্থাপনার জন্য।

 ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক জানান, এসব সহায়ক দলের তালিকা সৌদি সরকারের অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে।

হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন হজ পালন করবেন।

সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধনের শেষ সময় ছিল ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর। এর আগে একই বছরের ২৭ জুলাই থেকে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়।

হজ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোর প্রতি সব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। বাংলাদেশি হজযাত্রী পরিবহনে দায়িত্ব পালন করবে তিনটি এয়ারলাইনস—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস।

সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব হজযাত্রীর জন্য মেডিক্যাল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়ে আগেভাগেই সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বায়তুল মোকাররম হজ অফিস এবং আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে মোট হজযাত্রীর ২০ শতাংশ পাঠাতে হবে। বাকি যাত্রীদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ের ফ্লাইটে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ ধাপে ৩০ শতাংশের কম কিংবা ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না বলেও স্পষ্ট করেছে মন্ত্রণালয়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনার আলোকে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।