এগিয়ে আওয়ামী লীগ : মাঠে নেই অন্যরা : অভিযোগের পাহাড়
স্টাফ রিপোর্টার, হাতীবান্ধা: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার  গড্ডিমারী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের শূন্য চেয়ারম্যান পদে আগামী ২০ আক্টোবর উপ-নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। আর কয়েক দিন পর ভোট অনুষ্টিত হবে। নির্বাচনী মাঠে আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী  জোরেশোরে প্রচারনা চালালেও বিএনপি, জাপা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এখনো মাঠে নেই। পরিবেশ,  পরিস্থিতি বুঝে তারাও নির্বাচনী মাঠে থাকার ইচ্ছা রয়েছে, তবে সরকার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে রয়েছে নানা হুমকি-ধামকি,মারামারীর  অভিযোগ।
জানাগেছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গড্ডিমারী ও পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান মৃত্যু বরণ করেন। আর তাই শূন্য হওয়া ওই দুটি পদে আগামী ২০ আক্টোবর উপ-নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। শুন্য হওয়া পদ দু'টিতে উপ নির্বাচনের তফশিল ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ছিল ২৩ সেপ্টেম্বর। এতে ১০জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলে যাচাই বাচাই শেষে সকলের মনোনয়ন বৈধ হয়। তবে গড্ডিমারী ইউনিয়নে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলে ওই ইউনিয়নে ৪জন প্রার্থী আর পাটিকাপাড়ায় চাচা ভাতিজাসহ রয়েছেন ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। এরমধ্যে পাটিকাপাড়ায় মোট ভোটার-৯৪৫৬, এরমধ্যে পুরুষ-৪০৫৭ ও মহিলা-৪৭২৭ আর গড্ডিমারী ভোটার-১৩৯৮৩, এরমধ্যে পুরুষ-৬৯২৬ ও মহিলা-৭০৫৭।
প্রার্থীরা হলেন, পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামীল মনোনিত প্রার্থী মজিবুল আলম সাদাত, বিএনপির প্রার্থী সফিয়ার রহমান ও বিদ্রোহী প্রার্থী শরিফুল ইসলাম। আর গড্ডিমারী ইউনিয়নের আওয়ামীল মনোনিত প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল, বিএনপির প্রার্থী আবু তাহের মো: সফিকুল ইসলাম, জাপা প্রার্থী আনোয়ার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আখতার হোসেন।
পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামীল মনোনিত প্রার্থী মজিবুল আলম সাদাত বলেন, আমার দাদা, বাবা, চাচা, মা এই ইউনিয়ের চেয়ারম্যার ছিলেন। আশা করছি আমিও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো। নির্বাচিত হলে আমার ইউনিয়নে বাল্য বিবাহ, মাদক, জুয়া নির্মূল করবো।
গড্ডিমারী ইউনিয়নের আওয়ামীল মনোনিত প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল বলেন, আমার বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে চাই। আশা করছি জনগন আমাকে নির্বাচিত করবেন। তবে আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন।
ওই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আখতার হোসেন বলেন, আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানী করা হচ্ছে। আমি ঠিকমত প্রচার প্রচরণা করতে পারছি না। তবে জনগন যদি সঠিকভাবে ভোট দিতে পারেন তাহলে আমি নির্বাচিত হবো।
এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, নির্বাচন অবাদ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ অনুষ্ঠিত হবে। আমরা সজাগ রয়েছি।
সপ্তাহের বিশেষ প্রতিবেদন- এর অন্যান্য খবর