কালীগঞ্জের সাংস্কৃতিকর্মী শুভ’র মৃত্যু রহস্যজনক বলছে পুলিশ ও স্বজনরা
স্টাফ রিপোর্টার: জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ সরকারি করিম উদ্দিন কলেজের সাবেক সহকারি অধ্যাপক প্রয়াত আব্দুল হকের ছেলে জাকারিয়া বিন হক শুভর মৃত দেহ বৃহস্পতিবার রাতে (আনুমানিক ৯ টায়) রাজধানী ঢাকার তাজমহল রোডের বাসা হতে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পোষ্ট মডেম হবে বলে জানা গেছে। তার মৃত্যুর ঘটনায় নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনরা বলছে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এই ঘটনায় কালীগঞ্জে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গণে আজ শনিবার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষে জাকারিয়া বিন হক শুভ ওয়ালটন মোবাইল সেক্টর গাজীপুর জোনের ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কে কমর্রত ছিলেন। সদা হাস্যেজ্জ্বল এই যুবক জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকান্ডসহ সাহিত্য, সংস্কৃতি সম্পর্কিত যাবতীয় কর্মকান্ডে জড়িতে ছিলেন। তবে শুভ’র শাশুড়ি দাবি করেছেন, স্ত্রী নীরার সাথে সিগারেট খাওয়া নিয়ে কথাকাটির জেরে ধরে সে ফ্যানের সাথে ওড়না ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে তার স্ত্রী গিয়ে ঘরে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত থাকতে গিয়ে তাঁকে নামিয়ে ফেলে। ততক্ষণে সে মারা গেছে। ঘটনার পর সেখানে যাওয়া একজন প্রত্যক্ষদর্শী বন্ধু জানান, বাসার বেডরুমের মেঝেতে ছিল শুভ’র মরদেহ। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। জাকারিয়া বিন হক শুভ’র কয়েকজন স্বজন দাবি করেছেন, শরীরের ওজন অনুযায়ী যে ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যার কথা বলা হচ্ছে এরকম ঘটনা ঘটলে তা(ফ্যান ও ফানের পাকা) বেঁকে যাওয়ার কথা। কিন্তু সেকানে ফ্যানটি  স্বাভাবিকভাবেই ঘুরছে। এছাড়া বিছানা থেকে ফ্যানের উচ্চতা তূলনামূলক কম থাকায় সেখানে ঝুলে আত্মহত্যা করাও প্রশ্নবিদ্ধ। কারণ বিছানার সাথে পা লেগে যেতে পারে।
মোহাম্মদপুর থানার এসআই এসআই ফারুকুল গণমাধ্যমকে বলেন, শুভ আত্মহত্যা করেছেন কিনা বা তাকে হত্যা করা হয়েছে। সে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা এখনই সম্ভব হচ্ছে না। ময়নাতদন্তের  পোষ্টমডেম) প্রতিবেদন ও  ঘটনার তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য যানা সম্ভব হবে। আপাতত বিষয়টি রহস্যজনক বলেই মনে হচ্ছে।
বিনোদন বার্তা- এর অন্যান্য খবর