জেলা কারাগারে মাদকের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে ১৪ কারারক্ষীকে স্টান্ড রিলিজ
স্টাফ রিপোর্টার: আজ ১৪ সেপ্টেম্বর মাদক দ্রব্যের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে জেলা কারাগার হতে ১৪ জন কারারক্ষী স্টান্ড রিলিজ হয়ে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে গেছে। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, লালমনিরহাটের কারারক্ষী মেহেদি ও তার স্ত্রী কারারক্ষী কয়েক মাস আগে এই কারাগারে যোগ দেয়। কারারক্ষী মেহেদির সাথে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হওয়া জনৈক আসামী শুভর কারগারে বন্দি থাকার সময় পরিচয় হয়। এই পরিচয় সূত্র ধরে তারা কারা অভ্যন্তরে গোপনে মাদক পাচারের সাথে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। একটি সূত্রে জানা গেছে, অর্থের লেনদেন নিয়ে কারারক্ষী মেহেদির সাথে অস্ত্র মামলায় আটক শুভর বচসা হয়। শুভ বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছে। সে কারারক্ষী মেহেদির সাথে জামিন পেয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে। এক পর্যায়ে কারারক্ষী মেহেদির মাদক সেবন ও মাদক পাচারের ছবি ভিডিও করে। তাঁকে মাদক সেবনের সময় আটক করে অর্থ আদায় করে ছেড়ে দেয়। পরে গোপনে মাদক সেবনের ভিডিওটি দিয়ে ব্লাক মেইল করতে থাকে। এই ভিডিও ছবি দেখিয়ে বেশ কয়েক জন প্রতি মাসে অর্থ আদায় করে আসছিল। কারারক্ষী মেহেদি বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করে। এক পর্যায়ে বিষয়টি দেশের একটি গুরুতপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসে। গোয়েন্দা রির্পোটের ভিত্তিতে ১৪ জনের মাদকের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। গোয়েন্দা সংস্থার রির্পোটে রবিবার  ১৪ জনকে স্টান্ড রিলিজের অর্ডার আসে। এদিকে কয়েক মাস আগে বিপুল পরিমান ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কারারক্ষী ও চালক পুলিশের হাতে আটক হয়। পরে রহস্যজনক কারণে তাদের বিরুদ্ধে সন্দেহজন মামলা দিয়ে কোর্টে সোপর্দ করা হয়। পরের দিনেই তাঁরা জামিন পায়। এদিকে ৭/৮ মাস আগে  জেলখানার ফার্মাষ্টিস সানওয়ারকে নারী ও ইয়াবাসহ স্থানীয় গ্রামবাসী ধরে ফেলে। পত্রপত্রিকায় রির্পোট প্রকাশ হয়। তাকেও অন্যত্র বদলি করা হয়।
লালমনিরহাট কারাগারের জেল সুপার কিশোর কুমার নাগ ১৪ জনকে স্টান্ড রিলিজ করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি এটাকে রুটির বদলি বলেছেন।
এক নজরে- এর অন্যান্য খবর