ইতিহাসের স্বাক্ষী সেগুন গাছটি এখন গাছ খেকোদের দূর্বৃত্তদের স্বাক্ষী
জাহাঙ্গীর আলম শাহীন: একটি শত বছরের পুরোন সেগুন গাছে। জেলা সদরের মোগলহাট পরিত্যক্ত রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে গাছটি কালের স্বাক্ষী হয়ে বেঁচে ছিল। মানুষে অর্থ লোভ গাছটিকে বাঁচতে দেয়নি। কোন সরকারি ও রেল বিভাগের অনুমতি ছাড়া গাছটি কয়েক বছর আগে রাজনৈতিক দূর্বৃত্তরা অবৈধ ভাবে কেটে ফেলে। ডাল পালা কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়। সঠিক পুলিশি তদন্ত ও রহস্যজনক  কারণে রেলওয়ের গাছ চুরি মামলাটি আলোর মুখ দেখেনি। ধামাচাপ পড়ে যায়।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ১৮৮২ সালে বৃটিশ রেলওয়ে ভারতের অসম হতে সেগুন ও সাল কাঠ বৃটেনে পাঠাতে রেলওয়ে গোড়াপত্তন ঘটায়। তখন এখানে স্টেশনটির শোভাবর্ধনে সেগুন গাছটি লাগানো হয়ে ছিল। গাছটি ছিল ইতিহাসের অংশ। ইতিহাসের স্বাক্ষী। এছাড়াও ঐতিহাসিক গণ মনে করেন, মোগলস¤্রাট আকবর কৃষক বিদ্রোহের নেতা নুড়লদ্দিন কে দমন করতে এখানে একটি মোগল সম্্রাটের সামরিক ঘাটি গেড়ে ছিল। সে সামরিক ঘাটিটি স্টেশনের পাশেই ছিল। সেখানে কিছু পুরাতন ইটটের চিহ্ন পাওয়া যায়। মোগল সম্্রাটদের আমলে সেগুন গাছ ও ঝোঁপঝাড়ের বন ছিল এখানে। এখনো কোথাও কোথও লোকালয়ে দুই/ একটি সেগুন প্রাকৃতিক  গাছ এখানে আছে।


সপ্তাহের বিশেষ প্রতিবেদন- এর অন্যান্য খবর