লালমনিরহাটের কলেজ ছাত্রীকে প্রেমিকের বন্ধুরা আটক করে গণধর্ষণ
স্টাফ রিপোর্টার: জেলা সদরের খোঁচাবাড়ি নজরুলটারীতে বুধবার রাতে এই গণ ধর্ষণের ঘটনায় দফায় দফায় বৈঠক হয়। ধর্ষণের শিকার যুবতি ও তার পরিবারকে দূর্বৃত্তের জিম্মি করে নিয়েছে।
জানাগেছে, জেলা সদরের নবাবেরহাট খোঁচাবাড়ি নজরুল টারীর জনৈক দিন মজুরের টেকনিক্যাল কলেজ পড়ুয়া মেয়ের সাথে ২৫ দিন আগে মোবাইল ফোনে পরিচয় একই উপজেলার সাঁকোয়া মাঝপাড়া গ্রামের হোসেনের পুত্র সহিদুলের (২২)। দুই দিন আগে গভীর রাতে প্রেমিকার বাড়ির পাশে রেল লাইনের পাশে এসে মোবাইল ফোনে প্রেমিকাকে ডেকে নেয়। এ সময় শহিদুলের কয়েক বন্ধু প্রেমিক ও প্রেমিকা যুগলকে আটক করে। তারা সাঁকোয়া শাহীন মোড়ে সুমনের কাপড়ের দোকানের গোডাউন ঘরে রাত ভর আটকে রেখে প্রেমিকার কয়েক বন্ধু ধর্ষণ করে। এ সময় দূবৃত্ত বন্ধুরা প্রেমিক শহিদুলের গলায় ছুরি ধরে রাখে গণধর্ষনের ঘটনা ঘটায়। পরে গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রেমিক শহিদুলকে আটকে রেখে বুধবার লালমনিরহাটের নোটারী পাবলিককের মাধ্যেমে প্রেমিক যুগলকে বিয়ে দেয়।
খোচাবাড়ি গ্রামের স্থানীয় যুবলীগের নতা রাজু জানান, এই গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়া অপতৎপরতা চলছে। কয়েক জন ধর্ষকের মধ্যে দুইজনের পরিচয় সনাক্ত হয়েছে। এরা হলেন, সাঁকোয়া বাজারের আনছারের ছেলে সুমন (২১) ওএকই গ্রামের জাহাঙ্গীরের পুত্র ফরিদুল (২২)। সুমনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও করার অভিযোগ রয়েছে। সে আবার ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন গান রেকর্ড় করে পাঠায়। এ ঘটনায় নজরুল টারী গ্রামে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি মাহফুজার রহমান জানান, ঘটনাটি শুনেছি কিন্তু কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি।
জাতীয় বার্তা- এর অন্যান্য খবর