হাতীবান্ধায় মন্দিরের জমি দখলে বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধাকে মারধর করলো পুলিশ সদস্য
স্টাফ রিপোর্টার: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় জোড় পূর্বক মন্দিরের জমি দখলের চেষ্টা করেন নারায়ন চন্দ্র নামে এক পুলিশ সদস্য। এ সময় বাধা দিলে শ্রীমতি শান্তিবালা (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন ওই পুলিশ সদস্য ও তার লোকজন।
এ ঘটনায় গত (১২ জুলাই) রবিবার নারায়ন চন্দ্রকে প্রধান আসামী করে ৮জনের নামে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শান্তিবালা। এর আগে ১০ জুলাই বিকেলে উপজেলার গেন্দুকুড়ি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। আহত শ্রীমতি শান্তিবালা উপজেলার গেন্দুকুড়ি এলাকার মৃত বিরেন্দ্রর স্ত্রী।
জানাগেছে, উপজেলার গেন্দুকুড়ি এলাকার শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরের নামে ও বাসিনাথের সেবায়েতকৃত এবং শান্তিবালার নিজ ভোগ দখলীয় সম্পত্তি। অভিযুক্তরা ওই জমিটি অবৈধভাবে নিজের দাবি করে শান্তিবালার সাথে বিরোধ সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির শ্রী কেশব চন্দ্র বর্মন, দিলিপ সিংহ, উপিন্দ্রনাথ বর্মনসহ আরও অনেকে স্থানীয় ভাবে শালিসি বৈঠক করিলে অভিযুক্তরা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অমান্য করে। এমতাবস্থায় ঘটনার দিন বিকেলে অভিযুক্তরা ওই জমিতে জোড় পূর্বক রোয়া (ধানের চারা) রোপন করে। এ সময় শান্তিবালা তাদের বাধা দিলে অভিযুক্তরা বাশের লাঠি দিয়ে শান্তিবালাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। এ সময় শান্তিবালার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা সাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
এ বিষয়ে শান্তি বালা বলেন, ‘নারায়ন পুলিশ জমি দখল করতে আসে। আমি বাধা দিলে তারা আমাকে মারধর করেন। ওই পুলিশ বলেন আমাকে দড়ি দিয়ে বেধে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি এর বিচার চাই। তাই থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি’।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য নারায়ন চন্দ্রের (০১৭১৪৪৬৫০১২) বলেন, ‘থানায় অভিযোগ দিয়েছে তো কি হয়েছে বলে ফোনটি কেটে দেয়’।
এ বিষয়ে  হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে’।
এক নজরে- এর অন্যান্য খবর