আদিতমারীতে একটি ব্রীজের অভাবে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী
স্টাফ রির্পোটার: এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবী একটি ব্রীজ নির্মাণের। ব্রীজটি নির্মাণের দাবীতে জনপ্রতিনিধি থেকে সরকারের উচ্চ মহল পর্যন্ত আবেদন করেও সাড়া মিলেনি সেটি নির্মাণের। এলাকাবাসী মনে করেন ব্রীজটি নির্মাণ হলে ৩টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে। তাই এলাকার লোকজন ব্রীজ নির্মাণের দাবীতে এবার ফুঁসে উঠেছেন। 
এমননি এক করুণ দৃশ্য উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে চন্দনপাঠ পাবনাপাড়া ও পুরাতন চন্দনপাঠ বাজার এলাকায় সাগর ঘাট নামক স্থানে।
জানাগেছে, উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নের  সতি নদীতে প্রায় ৫০ বছর ধরে একটি ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ার কারনে বাঁশের সাকোতে মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়ত করে আসছেন। শুকনা মৌসুমে পানি না থাকায় পায়ে হেটে পারাপার হলেও বর্ষা মৌসুমে বিপাকে পড়তে হয় যাতায়তকারী কয়েক হাজার মানুষকে। আবার কোন সময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় বাঁশ দিয়ে ২ শ হাত লম্বা সাকো তৈরি করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগন চলাচল করেন।বর্ষা এলেই বাড়ে যাতায়তকারীদের ভোগান্তি।
এই সতী নদী পেরিয়ে কমলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ যেতে হয়। সেই সাথে চাপারহাট ও শিয়ালখোওয়া এমন কি বিভাগীয় রংপুর শহরে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। শুকনা মৌসুমে পাঁয়ে হেঁটে বা সাইকেল দিয়ে চলাচল করা গেলেও কোন ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারে না সাকো দিয়ে।
এদিকে বর্ষা শুরু হলে তখন মানুষকে মালামাল পরিবহন করতে বিকল্প রাস্তা খুঁজতে হয়। সবজি খ্যাত এলাকা হিসেবে পরিচিত থাকলেও ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায়  মালামাল পরিবহন করতে না পারায় অল্পদামে  বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের উৎপাদিত পণ্য।
চন্দনপাঠ এলাকার বাসিন্দা আবু কালাম বলেন,
এই এলাকায় একটি ব্রীজ নির্মানের জন্য স্থানীয় সাংসদ ও সমাজকল্যান মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদের নিকট এলাকাবাসী জোরালো দাবী তুলেন। কিন্তু তিনি কোন কথাই রাখেন নি। ফলে হতাশায় দিন কাটছে এলাকাবাসীর।
চন্দনপাঠ পাবনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও বুড়িরদিঘী আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ বলেন, ব্রীজ না থাকার কারনে বর্ষাকালে ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প উপায়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয়।
আশার কথা শুনালেন আদিতমারী উপজেলা প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) আমিনুর ইসলাম।তিনি বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর কথামত ২ শ মিটার লম্বা ব্রীজটি নির্মান করতে ইতিমধ্যে সয়েল টেষ্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পিডি বরাবরে প্রেরন করা হয়েছে।
সপ্তাহের বিশেষ প্রতিবেদন- এর অন্যান্য খবর