নেশার জন্য ত্রাণ বিক্রি করল একশত টাকায় !
জাহাঙ্গীর আলম শাহীন: মাদক সেবি এক যুবক মাদক গ্রহনের অর্থ যোগার করতে অভুক্ত পরিবারের জন্য পাওয়া ত্রাণ সামগ্রীর প্যাকেট মাত্র একশত টাকায় বিক্রি করছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাত সাড়ে ১০টায় লালমনিরহাট প্রেস ক্লারের সামনে।
জানা গেছে, করোনা সংক্রামণরোধে সারাদেশে অঘোষিত লকডাউন চলছে। এই লক ডাইনে কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার হাজার শ্রমজীবি নারী পুরুয়। তাদের ঘরে দেখা দিয়েছে খাদ্যাভাব। শ্রমহীন পরিবার গুলোকে যথাসাধ্য সরকার খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে ও দিবে। রবিবার সন্ধ্যায় শহরে জনৈক ব্যবসায়ী (নামপ্রকাশ করতে চায় না) তার সাধ্যমত বেশকিছু কর্মহীন পরিবারকে পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি আলু, আধা কেজি ডালসহ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে সামগ্রীর মিলিয়ে প্যাকেট করেন। একশত জনকে এসব ত্রাণের প্যাকেট বিতরণ করেন। এক মাদকাসক্ত যুবককে এই ত্রাণের প্যাকেট ব্যবসায়ী তার অভুক্ত পরিবারে ত্রাণ সহায়তা করতে দেয়। কিন্তু দূঃখজনক ঘটনা ঘটে সেখানে। সে ত্রাণ বিতরণের কাছে থাকা প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় ত্রাণের প্যাকেটটি বিক্রি করতে বসে পড়ে। ত্রাণের প্যাকেটটি মাত্র একশত টাকায় বিক্রি করে দেয়। প্রেসক্লাবের পিয়ন মোঃ জুয়েল জানায়, স্যার যুবকটি নেশা করে। নেশার টাকা জোগার করতে ত্রাণ সামগ্রী গুলো বিক্রি করে দিল। সে তার পরিবারকে চিনে। ত্রাণের প্যাকেটটি বাড়িতে নিয়ে গেলে অভুক্ত পরিবারটি না খেয়ে থাকতে হতো না। এখন মাদক সেবিরা নেশার টাকা খুব সহজে জোগার করতে শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোথায় কে ত্রাণ দেয়। তাই চিহ্নিত মাদক সেবিদের হাতে ত্রাণ না দিয়ে পরিবারের কাছে দিন। 
এদিকে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে রাজমিস্ত্রির কাজ করা এক শ্রমিক যুবক(৩২) জেলা সদরের গোকুন্ডার গুড়িহাদহ গ্রামে নিজবাড়িতে ৮এপ্রিল আসে। তার শরীরে সর্দি, জ্বর,কাশি ও গা ব্যথা অনুভ হয়। স্বাস্থৗ বিভাগ করোনা সন্দেহে নমূণা  সংগ্রহ করোনা পরীক্ষায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় শনিবার সন্ধ্যায় পজেটিপ রেজাল্ট এআসে। জেলা জুরে সকলের মাঝে উৎকন্ঠা ছড়ায়। ঐ যুবকের গ্রামের ৬০টি বাড়ি লক ডাউন করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন।
নিম্নমধ্যবিক্ত কর্মহীন মানুষ যারা আর্থিক কষ্ঠে পড়ে অধাহারে অনাহারে না থাকে। সেজন্য এসব পরিবারের বাড়িবাড়ি  ত্রাণ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী পৌচ্ছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর। জেলা প্রশাসনের ওয়েব সাইর্ডে নম্বর দেয়া হয়েছে। এসব নম্বরে ফোন করলেই ঐসব পরিবারের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌচ্ছে যাবে বলে জানান।
সপ্তাহের বিশেষ প্রতিবেদন- এর অন্যান্য খবর