রংপুরে নিত্যপণ্যের উর্ধ্বমূল্য প্রতিরোধে ভ্রাম্যমান আদালত অবরুদ্ধ
স্টাফ রিপোর্টার রংপুর: করোনার অযুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়ায় দুদিন ধরে মাঠে নেমেছিলো জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। দুপুরে নগরির জেলা পরিষদ মিনি মার্কেট ও নবাবগঞ্জ বাজারে অভিযানকালে সকল দোকানপাট বন্ধ কে দেয় ব্যবসায়ীরা।এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্যদের একটি দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে রাহাদ কুতুব কে অবরুদ্ধ করে । পরে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানাকে অ্ন্যায় আখ্যায়িত করে অনির্দিষ্টকালের জন্য নবাবগঞ্জ বাজার বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
রংপুর মহানগরীতে দ্বিতীয় দিনের মতো শনিবার দুপুরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট ও পরে নবাবগঞ্জ বাজারে অভিযান চালায়। এসময় বেশি দাম নেয়ার অভিযোগে একটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা ও পরে আরেকটি দোকানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ব্যবসায়ীরা। তারা সব দোকানপাট বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এক পর্যায়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের একটি দোকানে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, অন্যায়ভাবে জরিমানা করা হচ্ছে। পরে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাজার বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। ব্যবসায়ীরা জানান,জরিমানার টাকা ফেরৎ না দেয়া পর্যন্ত তারা নগরির জেলা পরিষদ মিনি মার্কেট ও নবাবগঞ্জ বাজারে অভিযানকালে সকল দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধন্ত নেয়। এদের সাথে একত্ততা ঘোষনা করেছে নগড়ীর সিটি বাজার, নিউমার্কেট,মিনিমার্কেট,ও সুপার মার্কেটের ব্যাবসায়ীরা।
 জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আলতাব হোসেন ও নবাবগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক আকবর আলী সাধারণ, জানান জরিমানার টাকা ফেরৎ না দেয়া পর্যন্ত তারা নগরির জেলা পরিষদ মিনি মার্কেট ও নবাবগঞ্জ বাজারে অভিযানকালে সকল দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধন্ত নেয়া হয়েছে। তবে আগামী কালের মধ্যে টাকা ফেরৎ না দিলে সকল ব্যাবসা প্রতিষ্ঠন বন্ধ রাখা হবে। আজ শনি বার রাত আটটার পর দোকান মালিক সমিতির সভা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
অপর দিকে দোকান কর্মচারীরা দোকানপাট বন্ধ রাখার প্রতি বাদে মাঠে নেমেছে। তারা দাবী করছে দোকান বন্ধ রাখলেও তাদের বেতন পরিশোধের । 
এক নজরে- এর অন্যান্য খবর