৯ দিনের ব্যবধানে বুড়িমারী স্থলবন্দরের পাথর ভাঙা আরো এক শ্রমিকের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার: লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে পাথর ভাঙা মেশিনে কাজ করে সৃষ্ট সিলোকোসিস রোগে আক্রান্ত বুড়িমারী স্থলবন্দর আরো এক শ্রমিক আমিনুর রহমানের (৩৮) সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ৯ দিন পূর্বে পাথর ভাঙা সুরক্ষা কমিটির সভাপতি মমিনুর রহমান (৪০) নামেও একজন মারা যায়। আমিনুর রহমান উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের নামাজিটারী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম কাচু বাউ।  
জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে বুড়িমারীর পাথর ভাঙা মেশিনে কাজ করা এ সকল শ্রমিক প্রথমে জ্বর আর সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে শ্রমিকদের পরীক্ষা- নিরীক্ষায় জানা যায় মরণব্যাধী সিলিকোসিস রোগে রোগাক্রান্ত। এরপর পাথর ভাঙার কাজ ছেড়ে দিলেও সুস্থ্য হতে পারেনি কেউ। এ রোগে আক্রান্ত শ্রমিকরা জাতীয় বক্ষব্যাধী ইন্সটিটিউট ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। ২০১২ সালে বুড়িমারী স্থলবন্দরে পাথর গুড়ো করার কাজে নিয়েজিত শ্রমিকদের উপর জরিপ চালিয়ে ২০১১ সালে মারা যায় ১৭ ব্যক্তিসহ শতাধিক সিলোকোসিস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এ পযর্ন্ত এ রোগে মমিনুরসহ ৬২ শ্রমিক মারা গেল।
বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ নেওয়াজ নিশাত বলেন, ‘সিলোকোসিস রোগে আক্রান্ত শ্রমিকরা একে একে মৃত্যুর বরণ করছেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

 
জাতীয় বার্তা- এর অন্যান্য খবর