ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় রাত্রি জাগরণ
মোহাম্মদ জীবন আহমেদ: যুবসমাজে ইদানীং স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে বেড়েছে রাত জাগা। স্মার্টফোন বা কমপিউটারে ফেসবুক চ্যাটিংয়ে রাত শেষ করে এ প্রজন্মের বেশিরভাগ ছেলেমেয়ে। আর এই বিষয়কে পুঁজি করে মুনাফা লুটছে মোবাইলফোন কোম্পানিগুলোও। এই সময়ে তারা বিশেষ অফার দিয়ে থাকে নিয়মিত। রাত জাগার কারণে স্বাস্থ্যের ওপর অনেক প্রভাব পড়ে। গবেষণা থেকে জানা যাচ্ছে, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে বিষণ্নতা, মনোযোগী হওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া, দিনের বেলা ঘুম আসা এবং সহজেই ক্লান্ত হয়ে যাওয়া, সহজে রেগে যাওয়া এমনকি আত্মহত্যার ইচ্ছা জাগার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এন্ড্রয়েড মোবাইলফোনের নীল আলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ঘাটতির কারণ, যা চোখের পাশাপাশি মরণব্যাধি ভয়ঙ্কর ব্রেস্ট এবং প্রস্টেট ক্যানসার সৃষ্টির আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও এই নীল আলো মেলাটনিন হরমোন কমানোর সঙ্গে সঙ্গে রেটিনার কর্মক্ষমতাও কমিয়ে দেয়, ফলে কমে দৃষ্টিশক্তিও।
আমাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবে বেঁচে থাকতে হলে ঘুমের অত্যন্ত প্রয়োজন। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুস্থ স্বাভাবিক থাকতে হলে অন্তত ৬/৭ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। এক ব্রিটিশ গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে ৫ ঘণ্টা কিংবা তার চেয়ে কম ঘুম আমাদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে প্রায় ১৫ শতাংশ। একটি স্বপ্ন আর সাধনাকে সামনে রেখে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা ভালো। তবে সে জেগে থাকা যদি হয় দুঃস্বপ্ন, তাহলে? স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হলে রাত জাগার ‘বদ অভ্যাস’ পরিবর্তন করতে হবে। (সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক)
স্বাস্থ্য বার্তা- এর অন্যান্য খবর