লালমনিরহাটে বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালিত
স্টাফ রিপোর্টার: প্রতিবন্ধিতা ও  বৈষম্যহীন স্বদেশ। কুষ্ঠমুক্ত হোক, আমাদের বাংলাদশে এই প্রতিপাদ্যেকে ধারণ করে ২৬ জানুয়ারি সকালে লালমনরিহাটে  বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস পালতি হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও লেপ্রা বাংলাদশে এর  আয়োজনে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এক র‌্যালী বের হয়ে শহরে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে সিভিল সার্জন হল রুমে প্রতিপাদ্য বিষয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডাক্তার কাশমে আলী। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল ইসলাম। কুষ্ঠ রোগ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যাদি তুলে ধরেন লেপ্রা বাংলাদেশ এর মনিটরিং অফিসার বদরুল আলম। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. দীপাঙ্কর রায়, লালমনিরহাট বার্তার সম্পাদক গেরিলা লিডার ড. এস এম শফিকুল ইসলাম কানু, সাংবাদিক গোকুল রায়, সাংবাদিক আব্দুর রব সুজন প্রমুখ।
সভায় লালমনিরহাট জেলায় ১৯৮১ হতে ২০১৯ পর্যন্ত ৭ হাজার ২৬ জন কুষ্ঠ রোগী সনাক্ত করা হয়েছে বলে জানানো হয়। বর্তমানে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চিকিৎসাধীন কুষ্ঠ রোগীর সংখ্যা ৪৫ জন। কুষ্ঠ একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যা               (২য় পৃষ্ঠায়)
মাইক্রোব্যাকটোরিয়াম লেপ্রি নামক ব্যাকটোরিয়া (জীবাণু) দ্বারা সংক্রামনের মাধ্যমে হয়। মাইক্রোব্যাকটোরিয়াম লেপ্রি’র সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। তাই কুষ্ঠ রোগের সুপ্তকাল গড়ে প্রায় ৫ বছর। কোন কোন ক্ষেত্রে এক বছরের  মধ্যে রোগের লক্ষণ দেখা দিতে পারে আবার কখনওবা ২০ বছর পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ও লাগতে পারে। কুষ্ঠ প্রধানতঃ চামড়া, প্রান্তিক ¯েœহায়ু, শৈষ্মিক, ঝিল্লি, ঊর্ধ্ব শ্বাসনারী এবং চোখে দেখা যায়। এমডিটি (মাল্টি ড্রাক থেরাপি/বহু ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা) দারা কুষ্ঠ রোগ সম্পূর্ণ ভাল হয়। এমডিটি এপি এতই শক্তিশালী যে, একটি মাত্র ডোজেই ৯৯% এর বেশি কুষ্ঠ জীবাণু মরে যায়।
২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৩০ সালের পূর্বেই বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কুষ্ঠ রোগের লক্ষণ :
* চামড়ায় অবশ হালকা রঙের দাগ। * দাগগুলো চুলকানিবিহীন ও সেখানে ঘাম হয় না। * হাতে বা পায়ে সংবিবেদনশীলতা/অনুভূতি হ্রাস পায়। * হাত এবং পায়ের মাংসপেশীর দুর্বলতা।
স্বাস্থ্য বার্তা- এর অন্যান্য খবর