লালমনিরহাটে রাত জেগে পেঁয়াজ ক্ষেত পাহাড়া!
স্টাফ রিপোর্টার: পেয়াঁজের দাম বেড়ে যাওযায় ক্ষেত থেকে উঠতি পেঁয়াজ চুরির ভয়ে এখানকার কৃষকরা রাত জেগে ক্ষেতে পাহাড়া বসিয়েছন। বিশেষ করে লালমনিরহাটের তিস্তার চরাঞ্চলের কৃষকরা এ কাজটি করছেন। অল্পদিনের মধ্যে  নতুন পেয়াঁজ বাজারে আসবে বলে কৃষকরা দাবী করেন। এ পেয়াঁজ বাজারে আসলেই দাম অনেকটা কমে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার হলদিবাড়ী গ্রামের কৃষক সফিকুল ইসলাম, হাসান আলী, খোরশেদ আলম জানান, আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে তারা তাদের ক্ষেতের পেয়াঁজ তুলতে পাবেন। রোদে শুকিয়ে নেয়ার পর পরেই তারা তাদের উৎপাদিত পেয়াঁজ বাজারে বিক্রির জন্য তুলতে পাবেন। হঠাৎ করে পেয়াঁজের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের রাত জেগে উঠতি পেয়াঁজ ক্ষেত পাহারা দিতে হচ্ছে।
আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের তিস্তার চরাঞ্চলের কৃষক জমির উদ্দিন বলেন, প্রতিবারের ন্যায় এবারও তিনি চরাঞ্চলে এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। চরাঞ্চলের জমিতে পলি পড়ায় জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায় আর পেঁয়াজের ফলনও ভাল হয়। তিনি আরে বলেন, এক বিঘা জমিতে পেয়াঁজ চাষে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। প্রতি বিঘায় ৩০ মন থেকে ৩৫ মন পর্যন্ত পেয়াঁজ উৎপাদন হয়ে থাকে। শুধু জমিরই নয়,এখানকার অধিকাংশ কৃষক অধিক মুনাফা লাভের আশায় পেয়াঁজ চাষ করে থাকেন।
আদিতমারী উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এম,এম জামান শাহীন জানান, চরাঞ্চলের জমি পেঁয়াজ চাষের উপযোগী ও ফলনও ভাল হয়ে থাকে। তিনি আরো জানান, এবছর এখানকার কৃষকরা পেঁয়াজ চাষে লাভবান হবেন।
লালমনিরহাট কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বিধূ ভুষণ রায় বলেন, আমরা আশা করছি আগামী ১৫ দিন থেকে ২০ দিনের মধ্যে নতুন পেয়াঁজ বাজারে উঠবে। নতুন পেয়াঁজ বাজারে এলেই দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে বলে তিনি দাবী করেন।
সপ্তাহের বিশেষ প্রতিবেদন- এর অন্যান্য খবর